20 January 2026 | Paris, France: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), a Paris-based human rights organization, strongly condemns and expresses deep concern over the dismissal of two respected teachers of the University of Asia Pacific (UAP) on 18 January following allegations of blasphemy.
BANGLADESH ALERT- Dismissal of Two University Teachers on Allegations of “Blasphemy” — a Gross Violation of... by contact.jmbf
JMBF firmly believes that the dismissal of two teachers on charges of “blasphemy,” under pressure from extremist students’ protests and organized mobs, without completing a transparent investigation and without providing the accused teachers an opportunity to defend themselves, constitutes a clear violation of the Constitution of Bangladesh, the Universal Declaration of Human Rights, the fundamental principles of justice, and academic freedom.
On Sunday, 18 January, a late-evening emergency notice signed by the university registrar announced the dismissal of the teachers. One of the dismissed teachers is Assistant Professor Layeka Bashir of the Department of Basic Science and Humanities. The other is Associate Professor Dr. A. S. M. Mohsin of the same department.
JMBF’s Chief Advisor, renowned French human rights activist Robert John Paul Simon, stated: “Labeling teachers as ‘Islamophobic’ for expressing personal opinions on social media, mobilizing mobs against them, issuing threats, and ultimately forcing their dismissal through administrative decisions sets a terrifying precedent. It clearly demonstrates that the university authorities have chosen to appease organized violence rather than protect the safety and rights of their teachers.”
JMBF notes with grave concern that the decision to arbitrarily terminate the teachers’ employment was taken while an investigation committee was still working on the so-called blasphemy allegations. Moreover, the accused teachers were denied the opportunity to present their defense, and due legal procedures were not followed.
JMBF’s Founding President, prominent human rights lawyer Advocate Shahanur Islam, stated, "this incident is not an isolated one. Rather, it is a minor example of the alarming rise of religious extremist ideology across Bangladesh since the current interim government assumed power. Across the country, academic expression is increasingly being labeled as “blasphemy,” creating a culture of fear, while political and ideological tagging is being used to facilitate the persecution of teachers."
JMBF believes that this incident represents not only an injustice against two teachers but also a dangerous precedent for Bangladesh’s education system and freedom of expression. If teachers can be removed under mob pressure in this manner, academics will no longer be able to think freely, conduct research, or express their views openly in the future.
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) therefore clearly demands that:
- The decision to dismiss the two teachers be immediately suspended and revoked;
- An international-standard, independent, impartial, and transparent investigation commission be immediately formed;
- The safety and dignity of the accused teachers be ensured;
- Accountability be ensured for the arbitrary actions of the university administration;
- Clear policies be formulated to safeguard academic freedom and freedom of expression.
JMBF believes that unless this practice of using religion as a political weapon to suppress dissent is resisted, it will further deepen violence, division, and a culture of fear in society. Justice cannot be determined by the will of a mob.
In solidarity,
Advocate Mohammad Alamgir
Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Building, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org
বাংলাদেশ এলার্টঃ ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় দুই শিক্ষক বহিষ্কার : ন্যায়বিচার, একাডেমিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন
২০ জানুয়ারি ২০২৬ | প্যারিস, ফ্রান্স: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত ১৮ জানুয়ারি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর দুজন সম্মানিত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় প্যারিসভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
কোনো প্রকার স্বচ্ছ তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, মৌলবাদী উগ্র শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সংগঠিত দলের চাপের মুখে দুজন শিক্ষককে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগে বহিষ্কার করা বাংলাদেশের সংবিধান, জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার, ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি এবং একাডেমিক স্বাধীনতার সম্পূর্ণ লঙ্ঘন বলে জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।
গত ১৮ই জানুয়ারি রোববার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সন্ধ্যার পরে ওই শিক্ষকদের বহিষ্কারের ঘোষণা করা হয়েছিল। বহিষ্কৃতদের একজন হলেন ব্যাসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীর। আরেকজন একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মহসিন।
জেএমবিএফ-এর প্রধান উপদেষ্টা প্রখ্যাত ফরাসি মানবাধিকারকর্মী রবার্ট জন পল সিমন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করার অপরাধে তাঁদের ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে মব তৈরি করা, হুমকি দেওয়া এবং শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বহিষ্কার করানো একটি ভয়াবহ নজির স্থাপন করেছে। এতে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষকের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার পরিবর্তে দণ্ডবদ্ধ সহিংসতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।”
জেএমবিএফ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, ধর্ম অবমাননার তথাকথিত অভিযোগের বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটির কাজ চলমান থাকা সত্ত্বেও তাঁদের স্বেচ্ছাচারীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এমনকি অভিযুক্ত শিক্ষকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন, "এই ঘটনাটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সারা বাংলাদেশে যেভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদী মতাদর্শের চরম উত্থান ঘটেছে তার একটি নগণ্য নমুনা মাত্র। সারা দেশে একাডেমিক মতপ্রকাশকে ‘ধর্ম অবমাননা’ হিসেবে চিহ্নিত করে ভয়ভীতির সংস্কৃতি তৈরি করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক ও আদর্শিক ট্যাগিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষক নিপীড়নের পথ সুগম করা হয়েছে।"
জেএমবিএফ মনে করে, এই ঘটনা কেবল দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অন্যায় নয়; এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত। যেভাবে শিক্ষককে মবের চাপে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে আগামীতে কোনো শিক্ষাবিদ মুক্তভাবে চিন্তা, গবেষণা বা মত প্রকাশ করতে পারবেন না।
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) স্পষ্টভাবে দাবি জানাচ্ছে—
১। অবিলম্বে শিক্ষকদ্বয়ের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত স্থগিত ও প্রত্যাহার করতে হবে
২। একটি আন্তর্জাতিক মানের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে
৩। অভিযুক্ত শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে
৪। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারী ভূমিকার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে
৫। একাডেমিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষায় সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে
জেএমবিএফ মনে করে, ধর্মকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ভিন্নমত দমনের এই প্রবণতা রুখে না দাঁড়ালে তা সমাজে সহিংসতা, বিভাজন ও ভয়ের সংস্কৃতি আরও গভীর করবে। ন্যায়বিচার কোনো মবের ইচ্ছায় নির্ধারিত হতে পারে না।
শুভেচ্ছাসহ—
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর
মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড হস্মান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org | ওয়েবসাইট: www.jmbf.org
ALERTE BANGLADESH : Licenciement de deux enseignants universitaires pour « blasphème » — Une grave violation de la justice, de la liberté académique et des droits humains
20 janvier 2026 | Paris, France : JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF), une organisation de défense des droits humains basée à Paris, condamne fermement et exprime sa profonde inquiétude concernant le licenciement de deux enseignants respectés de l’Université de l’Asia Pacific (UAP) le 18 janvier, suite à des accusations de blasphème.
JMBF estime fermement que le licenciement de ces deux enseignants pour « blasphème », sous la pression de manifestations étudiantes extrémistes et de groupes organisés, sans qu’une enquête transparente ait été menée et sans que les enseignants concernés aient eu la possibilité de se défendre, constitue une violation manifeste de la Constitution du Bangladesh, de la Déclaration universelle des droits de l’homme, des principes fondamentaux de justice et de la liberté académique.
Le dimanche 18 janvier, un avis d’urgence signé par le registraire de l’université a annoncé tard dans la soirée le licenciement des enseignants. L’un des enseignants licenciés est Layeka Bashir, professeure assistante au Département des sciences de base et des humanités. L’autre est le Dr A. S. M. Mohsin, professeur associé au même département.
Le principal conseiller de JMBF, le célèbre militant des droits humains français Robert John Paul Simon, a déclaré : « Qualifier des enseignants d’« islamophobes » pour avoir exprimé des opinions personnelles sur les réseaux sociaux, mobiliser des foules contre eux, proférer des menaces et finalement les forcer à être licenciés par des décisions administratives établit un précédent terrifiant. Cela démontre clairement que les autorités universitaires ont choisi de céder à la violence organisée plutôt que de protéger la sécurité et les droits de leurs enseignants. »
JMBF note avec une vive inquiétude que la décision de licencier arbitrairement les enseignants a été prise alors qu’un comité d’enquête travaillait encore sur les soi-disant accusations de blasphème. De plus, les enseignants concernés n’ont pas eu la possibilité de présenter leur défense et les procédures légales appropriées n’ont pas été suivies.
Le président fondateur de JMBF, l’avocat spécialisé en droits humains Shahanur Islam, a déclaré que cet incident n’est pas isolé. Il représente plutôt un exemple mineur de la montée inquiétante de l’idéologie extrémiste religieuse à travers le Bangladesh depuis que le gouvernement intérimaire actuel a pris le pouvoir. Dans tout le pays, l’expression académique est de plus en plus étiquetée comme « blasphème », créant une culture de peur, tandis que l’étiquetage politique et idéologique est utilisé pour faciliter la persécution des enseignants.
JMBF estime que cet incident représente non seulement une injustice contre deux enseignants, mais également un précédent dangereux pour le système éducatif bangladais et la liberté d’expression. Si des enseignants peuvent être retirés sous la pression d’une foule de cette manière, les universitaires ne pourront plus penser librement, mener des recherches ou exprimer leurs opinions ouvertement à l’avenir.
JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF) exige donc clairement que :
- La décision de licencier les deux enseignants soit immédiatement suspendue et révoquée ;
- Une commission d’enquête indépendante, impartiale, transparente et conforme aux normes internationales soit immédiatement constituée ;
- La sécurité et la dignité des enseignants concernés soient garanties ;
- La responsabilité des actions arbitraires de l’administration universitaire soit établie ;
- Des politiques claires soient formulées pour protéger la liberté académique et la liberté d’expression.
JMBF estime que, tant que cette pratique consistant à utiliser la religion comme arme politique pour réprimer le désaccord n’est pas combattue, elle approfondira davantage la violence, la division et la culture de la peur dans la société. La justice ne peut pas être déterminée par la volonté d’une foule.
En solidarité,
Avocat Mohammad Alamgir
Secrétaire général
JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF)
Bâtiment CNB, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email : info@jmbf.org | Site web : www.jmbf.org
*********************************************************************************************************** Copyright © JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2025. All rights reserved. No part of this publication may be reproduced, stored in a retrieval system, or transmitted in any form or by any means — electronic, mechanical, photocopying, recording, or otherwise — without mentioning the name of JMBF.
JMBF is an independent, non-profit, nonpartisan human rights organization registered in France with registration number W931027714 under the 1901 Association Law, dedicated to defending human rights, fighting for justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.
*********************************************************************************************************** কপিরাইট © জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ), ২০২৫। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই প্রকাশনার কোনো অংশ জেএমবিএফ-এর নাম উল্লেখ ব্যতীত—ইলেকট্রনিক, যান্ত্রিক, ফটোকপি, রেকর্ডিং বা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে—পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ বা পরিবহন করা যাবে না।
জেএমবিএফ একটি স্বাধীন, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক মানবাধিকার সংস্থা, যা ফ্রান্সে ১৯০১ সালের অ্যাসোসিয়েশন আইনের অধীনে W931027714 নম্বরে নিবন্ধিত। সংস্থাটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানবাধিকার সুরক্ষা, ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
*********************************************************************************************************** Droits d’auteur © JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF), 2025. Tous droits réservés. Aucune partie de cette publication ne peut être reproduite, stockée dans un système de récupération, ou transmise sous quelque forme ou par quelque moyen que ce soit — électronique, mécanique, photocopie, enregistrement ou autre — sans mentionner le nom de JMBF.
JMBF est une organisation indépendante à but non lucratif et non partisane, enregistrée en France sous le numéro d’enregistrement W931027714 selon la loi de 1901 sur les associations, dédiée à la défense des droits humains, à la lutte pour la justice, et à l’autonomisation des communautés au Bangladesh et au-delà.

No comments:
Post a Comment