“বাংলা ভাষার সম্পূর্ণ সংস্করণ দেখার জন্য, নিচে স্ক্রল করে ‘More’ এ ক্লিক করুন।” "Pour consulter les versions complètes en français, faites défiler vers le bas et cliquez sur ‘Voir plus’.”
Paris, France | 17 November 2025: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses profound concern and outrage over the orders issued on 16 November by Dhaka Metropolitan Police (DMP) Commissioner Sheikh Md. Sajjad Ali and, on 11 November, by Chittagong Metropolitan Police (CMP) Commissioner Hasib Aziz to “shoot on sight,” “fire in brushfire mode,” and use lethal weapons by patrol teams.
These directives are not only reckless, threatening, and legally indefensible but also represent a deliberate misuse of state power and a blatant violation of both international human rights law and the Constitution of Bangladesh.
The Chief Adviser of JMBF and prominent French human rights activist Robert Simon stated, “It is evident from the statements and orders of the DMP and CMP commissioners that the police have been diverted from their constitutional duty to maintain law and order and instead transformed into instruments of political repression. Empowering state forces in this way to carry out killings is essentially an attempt to legitimize extrajudicial executions, reflecting the hallmarks of an authoritarian and repressive government.”
Advocate Shahanur Islam, Founder President of JMBF and prominent human rights lawyer, said, “The Constitution of Bangladesh clearly stipulates that no individual may be deprived of life arbitrarily. Articles 31 and 32 guarantee citizens’ right to life, personal liberty, and access to legal protection. The 'shoot on sight' policy flagrantly disregards these fundamental rights and effectively authorizes state-sanctioned killing. This is not only a constitutional violation but a stark example of the abuse of state power under the current interim government led by Muhammad Yunus.”
JMBF firmly believes that, from the perspective of international human rights law, these orders are entirely illegal. Bangladesh is a state party to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), which recognizes the right to life (Article 6) as the supreme right. Article 9 prohibits arbitrary arrest, while Article 14 obliges the state to ensure the right to a fair trial. The “shoot on sight” directive directly violates these international standards and denies citizens their fundamental right to life and due process.
Furthermore, the United Nations Basic Principles on the Use of Force and Firearms (1990) clearly set strict conditions and limitations on the use of lethal force by law enforcement. These principles are entirely absent in the statements of the DMP and CMP commissioners. According to UN guidelines, lethal force may only be used when there is an immediate threat to life and no other means exist to control the situation. In contrast, the directives instruct shooting on mere suspicion or sight, which is explicitly prohibited under international law.
According to Article 7 of the Rome Statute of the International Criminal Court (ICC), if killings are carried out pursuant to state policy or orders, they may constitute crimes against humanity. The current tendency to deploy police for political purposes and authorize lethal force places Bangladesh at risk of committing such international crimes.
This situation demonstrates that the interim government led by Muhammad Yunus has effectively declared war on its own citizens. Killings under the pretext of suppressing protests, creating fear, and trampling citizens’ rights are occurring. The police have ceased to be protectors of the law and instead serve as instruments enforcing government interests—a grave threat to democratic governance.
JusticeMakers Bangladesh in France strongly asserts that under no circumstances can a democratic state justify a “shoot on sight” policy. It promotes violence, undermines the justice system, and constitutes a direct attack on citizens’ fundamental human rights. JMBF demands the immediate withdrawal of this directive, accountability for the responsible officials, and the depoliticization of security forces.
At the same time, we call upon international human rights organizations, the United Nations, and democratic countries to take urgent action to monitor and address ongoing repression, extrajudicial killings, and state terrorism in Bangladesh, ensuring the protection of citizens’ lives, rights, and safety.
JMBF stands firmly with the people of Bangladesh and will continue to act decisively against every violation of human rights.
Thank you
Advocate Mohammad Alamgir
Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
Email: info@jmbf.org
Website: www.jmbf.org
বাংলাদেশ এলার্টঃ ডিএমপি ও সিএমপি কমিশনারদের ‘দেখামাত্র গুলি’ করার নির্দেশনা প্রদানের ঘটনায় জেএমবিএফ-এর গভীর উদ্বেগ ও কঠোর নিন্দা জ্ঞাপন
প্যারিস, ফ্রান্স | ১৭ নভেম্বর ২০২৫ঃ জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে গত ১৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী এবং গত ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ কর্তৃক প্রদত্ত “দেখামাত্র গুলি”, “ব্রাশফায়ার মোডে হত্যা” এবং টহলদলকে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশনায় গভীর উদ্বেগ ও কঠোর নিন্দা জানাচ্ছে।এই নির্দেশনা কেবল দায়িত্বহীন, হুমকিস্বরূপ ও আইনগতভাবে অবৈধই নয়; রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ইচ্ছাকৃত অপব্যবহার এবং মানবাধিকার-বিরোধী এই আচরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং বাংলাদেশ সংবিধানের সরাসরি লঙ্ঘন।
জেএমবিএফ এর প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট ফরাসি মানবাধিকারকর্মী রবার্ট সিমন বলেন, "ডিএমপি ও সিএমপি কমিশনারদের এই বক্তব্য এবং নির্দেশ থেকে স্পষ্ট যে, পুলিশকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সাংবিধানিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে এভাবে হত্যার ক্ষমতা প্রদান করা আসলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা, যা একটি দমনমূলক ও কর্তৃত্ববাদী সরকারের বৈশিষ্ট্য ছাড়া আর কিছুই প্রতিফলিত করে না।”
জেএমবিএফ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন, "বাংলাদেশের সংবিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে কোনো ব্যক্তিকে বিচারবহির্ভূতভাবে জীবন থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সংবিধানের ৩১ এবং ৩২ ধারায় নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও আইনের আশ্রয় প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু “দেখামাত্র গুলি” নীতি এসব মৌলিক অধিকারকে উপেক্ষা করে সরাসরি রাষ্ট্রীয় হত্যার অনুমোদন দেয়। এটি কেবল সংবিধান লঙ্ঘন নয়, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের চরম উদাহরণ, যা বর্তমান মুহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার করে চলেছে।”
জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর দৃষ্টিকোণ থেকেও এই নির্দেশনা সম্পূর্ণ বেআইনি। বাংলাদেশ International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR)-এর বাধ্যতামূলক সদস্য, যেখানে জীবনের অধিকারকে (Article 6) সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই চুক্তির অনুচ্ছেদ ৯ স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তার নিষিদ্ধ করে, এবং অনুচ্ছেদ ১৪ প্রত্যেক ব্যক্তির ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিতে রাষ্ট্রকে বাধ্যবাধকতা দেয়। “দেখামাত্র গুলি” নির্দেশ এসব আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সরাসরি লঙ্ঘন এবং নাগরিকের ন্যায্য বিচার ও জীবনধারণের অধিকারকে অস্বীকার করে।
এছাড়া জাতিসংঘের Basic Principles on the Use of Force and Firearms (1990)-এ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কঠোর শর্ত ও সীমাবদ্ধতা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে, ডিএমপি ও সিএমপি কমিশনারদের বক্তব্যে তার কোনো প্রতিফলন নেই।
জাতিসংঘের এই নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমতি কেবল তখনই দেওয়া যায় যখন তাৎক্ষণিক জীবনহানির ঝুঁকি থাকে এবং অন্য কোনো উপায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। অথচ এই নির্দেশে এমন কোনো পরিস্থিতির উল্লেখ নেই; বরং দেখা মাত্র বা সন্দেহের ভিত্তিতে গুলি চালানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনে স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) Rome Statute-এর Article 7 অনুযায়ী, যদি রাষ্ট্রীয় নীতি বা আদেশের ভিত্তিতে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হয়, তবে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের এই প্রবণতা এবং প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের এমন নির্দেশ বাংলাদেশকে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঝুঁকির দিকে ঠেলে দেয়।
এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে যে, বর্তমান মুহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন সরকার আজ নিজ জনগণের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিক্ষোভ দমনের নামে বিরোধীদের হত্যা, ভয় সৃষ্টি এবং নাগরিক অধিকার পদদলিত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ এখন আর আইনের রক্ষক নয়; বরং সরকারের স্বার্থ রক্ষায় নিযুক্ত এক আজ্ঞাবাহী শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য গভীর হুমকি।
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো অবস্থাতেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কথিত “দেখামাত্র গুলি” নীতি গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সহিংসতা উসকে দেয়, বিচারব্যবস্থাকে অকার্যকর করে এবং নাগরিকের মৌলিক মানবাধিকারের উপর প্রকাশ্য আঘাত হানে। জেএমবিএফ এই নির্দেশের অবিলম্বে বাতিল, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার দাবি জানাচ্ছে।
একই সঙ্গে আমরা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ এবং গণতান্ত্রিক বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানাই বাংলাদেশে চলমান দমন-পীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণসহ নাগরিকদের জীবন, অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ এবং কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের জরুরি আহ্বান জানাচ্ছে।
জেএমবিএফ বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিটি ঘটনার বিরুদ্ধে ঐকান্তিকভাবে কাজ করে যাবে।
ধন্যবাদান্তে—
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলমগীর
মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
ইমেলঃ info@jmbf.org
ওয়েবসাইটঃ www.jmbf.org
ALERTE BANGLADESH : JMBF exprime une profonde inquiétude et une vive condamnation des ordres « tirer à vue » des commissaires de la DMP et de la CMP
Paris, France | 17 novembre 2025: JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF) exprime sa profonde inquiétude et son indignation face aux ordres donnés le 16 novembre par le commissaire de la police métropolitaine de Dhaka (DMP), Sheikh Md. Sajjad Ali, et le 11 novembre par le commissaire de la police métropolitaine de Chittagong (CMP), Hasib Aziz, de « tirer à vue », de « tirer en mode rafale » et d’utiliser des armes létales par les équipes de patrouille.Ces directives ne sont pas seulement imprudentes, menaçantes et juridiquement indéfendables, elles représentent également un usage délibéré abusif du pouvoir de l’État et une violation flagrante tant du droit international des droits humains que de la Constitution du Bangladesh.
Le principal conseiller de la JMBF et éminent défenseur des droits humains français, Robert Simon, a déclaré, « Il est évident d’après les déclarations et ordres des commissaires de la DMP et de la CMP que la police a été détournée de son devoir constitutionnel de maintenir l’ordre public et transformée en instruments de répression politique. Donner aux forces de l’État un pouvoir de tuer de cette manière revient essentiellement à légitimer des exécutions extrajudiciaires, reflétant les caractéristiques d’un gouvernement autoritaire et répressif. »
L’avocat Shahanur Islam, président fondateur de la JMBF et avocat spécialisé en droits humains, a déclaré, « La Constitution du Bangladesh stipule clairement qu’aucun individu ne peut être arbitrairement privé de sa vie. Les articles 31 et 32 garantissent aux citoyens le droit à la vie, à la liberté personnelle et à l’accès à la protection juridique. La politique de « tirer à vue » ignore ces droits fondamentaux et autorise de facto des meurtres sanctionnés par l’État. Il ne s’agit pas seulement d’une violation constitutionnelle mais d’un exemple flagrant de l’abus de pouvoir de l’État sous le gouvernement intérimaire actuel dirigé par Muhammad Yunus. »
La JMBF considère fermement que, du point de vue du droit international des droits humains, ces ordres sont totalement illégaux. Le Bangladesh est partie au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP), qui reconnaît le droit à la vie (article 6) comme le droit suprême. L’article 9 interdit l’arrestation arbitraire et l’article 14 oblige l’État à garantir le droit à un procès équitable. La directive « tirer à vue » viole directement ces normes internationales et prive les citoyens de leur droit fondamental à la vie et à une procédure régulière.
De plus, les Principes fondamentaux sur l’emploi de la force et des armes à feu par les agents chargés de l’application de la loi (1990) des Nations unies définissent clairement des conditions strictes et des limites à l’utilisation de la force létale par les forces de l’ordre. Ces principes sont totalement absents dans les déclarations des commissaires de la DMP et de la CMP. Selon les lignes directrices de l’ONU, la force létale ne peut être utilisée que lorsqu’il existe une menace immédiate pour la vie et qu’aucun autre moyen ne permet de maîtriser la situation. En revanche, les directives ordonnent de tirer sur simple suspicion ou vue, ce qui est explicitement interdit par le droit international.
Selon l’article 7 du Statut de Rome de la Cour pénale internationale (CPI), si des meurtres sont commis conformément à une politique ou des ordres de l’État, ils peuvent constituer des crimes contre l’humanité. La tendance actuelle à utiliser la police à des fins politiques et à autoriser la force létale expose le Bangladesh au risque de commettre de tels crimes internationaux.
Cette situation démontre que le gouvernement intérimaire dirigé par Muhammad Yunus a effectivement déclaré la guerre à ses propres citoyens. Des meurtres sous prétexte de réprimer des manifestations, de créer la peur et de piétiner les droits des citoyens se produisent. La police n’est plus le protecteur de la loi, mais devient un instrument au service des intérêts du gouvernement – une menace grave pour la gouvernance démocratique.
JusticeMakers Bangladesh en France affirme avec force qu’aucun État démocratique ne peut justifier une politique de « tirer à vue ». Elle incite à la violence, sape le système judiciaire et constitue une attaque directe contre les droits humains fondamentaux des citoyens. La JMBF exige le retrait immédiat de cette directive, la reddition de comptes des responsables et la dépollution politique des forces de sécurité.
Nous appelons également les organisations internationales de défense des droits humains, les Nations unies et les pays démocratiques à agir d’urgence pour surveiller et traiter la répression en cours, les exécutions extrajudiciaires et le terrorisme d’État au Bangladesh, afin de protéger la vie, les droits et la sécurité des citoyens.
La JMBF reste fermement aux côtés du peuple du Bangladesh et continuera d’agir de manière décisive contre chaque violation des droits humains.
Merci
Avocat Mohammad Alamgir
Secrétaire général
JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF)
Email : info@jmbf.org
Site web : www.jmbf.org
*********************************************************************************************************** Copyright © JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2025. All rights reserved. No part of this publication may be reproduced, stored in a retrieval system, or transmitted in any form or by any means — electronic, mechanical, photocopying, recording, or otherwise — without mentioning the name of JMBF.
JMBF is an independent, non-profit, nonpartisan human rights organization registered in France with registration number W931027714 under the 1901 Association Law, dedicated to defending human rights, fighting for justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.
*********************************************************************************************************** কপিরাইট © জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ), ২০২৫। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।এই প্রকাশনার কোনো অংশ জেএমবিএফ-এর নাম উল্লেখ ব্যতীত—ইলেকট্রনিক, যান্ত্রিক, ফটোকপি, রেকর্ডিং বা অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে—পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ বা পরিবহন করা যাবে না।
জেএমবিএফ একটি স্বাধীন, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক মানবাধিকার সংস্থা, যা ফ্রান্সে ১৯০১ সালের অ্যাসোসিয়েশন আইনের অধীনে W931027714 নম্বরে নিবন্ধিত। সংস্থাটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানবাধিকার সুরক্ষা, ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
*********************************************************************************************************** Droits d’auteur © JusticeMakers Bangladesh en France (JMBF), 2025. Tous droits réservés. Aucune partie de cette publication ne peut être reproduite, stockée dans un système de récupération, ou transmise sous quelque forme ou par quelque moyen que ce soit — électronique, mécanique, photocopie, enregistrement ou autre — sans mentionner le nom de JMBF.
JMBF est une organisation indépendante à but non lucratif et non partisane, enregistrée en France sous le numéro d’enregistrement W931027714 selon la loi de 1901 sur les associations, dédiée à la défense des droits humains, à la lutte pour la justice, et à l’autonomisation des communautés au Bangladesh et au-delà.
No comments:
Post a Comment