Scroll down to read the English, বাংলা & Français versions of this Bangladesh Alert.
Paris, France | 15 September 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its profound concern and unequivocal condemnation over the death sentences imposed in absentia on seven political leaders of the Bangladesh Awami League, Jubo League, and Bangladesh Chhatra League following proceedings that failed to meet internationally recognised minimum standards of judicial fairness and appear to have been driven solely by political motives.
On 15 September 2026, Bangladesh’s International Crimes Tribunal-2 sentenced seven political leaders to death in absentia: Bangladesh Awami League General Secretary Obaidul Quader; Joint General Secretary A.F.M. Bahauddin Nasim; former State Minister for Information and Broadcasting Mohammad Ali Arafat; Jubo League Chairman Sheikh Fazle Shams Parash; Jubo League General Secretary Mainul Hossain Khan; Bangladesh Chhatra League Central President Saddam Hussain; and Bangladesh Chhatra League General Secretary Sheikh Wali Asif Inan.
The Tribunal also ordered the confiscation of half of the assets belonging to Obaidul Quader, Bahauddin Nasim, Mohammad Ali Arafat, Sheikh Fazle Shams Parash, and Mainul Hossain Khan. It further directed that the confiscated assets be distributed as compensation among the families of those killed and the individuals injured during the July uprising.
Following the fall of the Awami League government on 5 August 2024 amid alleged domestic and international conspiracies and a student-led mass movement, the International Crimes Tribunal—originally established to prosecute crimes committed during the 1971 Liberation War—was reconstituted. Its governing legislation was subsequently amended, and proceedings were initiated in which offences allegedly committed during the July mass uprising were characterised, for politically motivated purposes, as crimes against humanity.
Across seven judgments delivered by the two tribunals, 68 defendants have reportedly been convicted. Of these, 22 individuals—including Sheikh Hasina, Obaidul Quader, and former Home Minister Asaduzzaman Khan—have been sentenced to death. Eighteen of the 22 are reportedly fugitives, while four remain in custody.
JMBF considers that these death sentences, imposed without ensuring internationally recognised minimum standards of judicial fairness, the effective right to a defence, and due process of law, do not represent justice. Rather, they establish an alarming precedent for using the judiciary as an instrument of political retaliation.
The completion of the proceedings in the absence of all the defendants, the failure to ensure their effective representation by lawyers of their own choosing, serious concerns regarding their ability to meaningfully challenge the prosecution’s witnesses and evidence, and the absence of independent international monitoring collectively undermine the credibility of the entire judicial process.
Killings, torture, and other serious crimes committed during the July mass uprising must be investigated impartially, and those responsible must be held accountable. Victims and their families are entitled to truth, justice, reparations, and effective remedies. However, their legitimate pursuit of justice must never be exploited as a shield for political retribution.
Biased proceedings conducted in the name of accountability obstruct the prosecution of those genuinely responsible and hold the victims’ right to justice hostage to political interests. Proceedings concerning international crimes must never be transformed into victors’ justice, partisan retaliation, or a mechanism for eliminating political opposition.
JMBF declares unequivocally that, should these death sentences—issued through a gravely flawed process that failed to meet international standards—be carried out, they would not constitute justice. They would amount to irreversible judicial killings carried out under state authority.
The death penalty constitutes the ultimate violation of the right to life. It is a cruel, inhuman, and degrading punishment that permanently eliminates any possibility of correcting a miscarriage of justice. The use of capital punishment in politically sensitive cases within Bangladesh’s politically influenced and corruption-plagued judicial system would further institutionalise a culture of fear, retaliation, and repression.
The order to confiscate half of the assets of five defendants and distribute them as compensation to the families of those killed and the individuals injured during the July uprising also raises serious concerns regarding due process, lawful ownership, and the rights of innocent third parties. Any seizure of property based on political identity or family association would amount to collective punishment and state-sponsored persecution.
JMBF’s Urgent Demands
JusticeMakers Bangladesh in France calls upon the Government of Bangladesh and all relevant authorities to:
- Immediately suspend and overturn the death sentences imposed on all seven defendants;
- Ensure an independent and impartial international review of the disputed judgments and judicial proceedings;
- Guarantee each defendant a full, public, and fair retrial upon arrest or voluntary appearance before the court;
- Ensure the defendants’ rights to appoint lawyers of their own choosing, cross-examine witnesses, challenge evidence, and pursue an effective appeal;
- Guarantee that the International Crimes Tribunal remains entirely free from executive interference and partisan political influence;
- End all politically motivated prosecutions, arbitrary arrests, confiscations of property, and forms of collective punishment;
- Provide the United Nations and independent international human rights observers with unrestricted access to monitor the judicial proceedings; and
- Immediately establish a formal moratorium on executions and take concrete steps towards the complete abolition of the death penalty in Bangladesh.
JMBF calls upon the United Nations High Commissioner for Human Rights, the UN Special Rapporteur on the Independence of Judges and Lawyers, the UN Special Rapporteur on Extrajudicial, Summary or Arbitrary Executions, the European Union, and international human rights organisations to take immediate and direct action to help bring an end to politically motivated judicial proceedings in Bangladesh.
Silence from the international community in the face of allegations that Bangladesh’s judiciary is being weaponised for political retaliation would embolden the use of capital punishment and judicial persecution. Double standards and political expediency in matters of human rights are wholly unacceptable.
JMBF reiterates that every person—regardless of political affiliation, ideology, or public support—is entitled to the right to life and a fair trial. New human rights violations must never be committed in the name of addressing past abuses.
Justice for victims—not political retaliation. Accountability—not a travesty of justice. The right to life—not state-sanctioned executions.
In solidarity,
বাংলাদেশ অ্যালার্ট: বিচারিক ন্যূনতম মানদণ্ড অনুসরণ না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়
প্যারিস, ফ্রান্স | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ন্যূনতম অনুসরণ না করে শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাতজন রাজনৈতিক নেতাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছে।
আজ ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান—এই সাতজন রাজনৈতিক নেতাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়।
রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খানের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার আদেশও দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ’৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে আইন সংশোধনপূর্বক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে বিচার শুরু করা হয়।
দুটি ট্রাইব্যুনালের সাত রায়ে ৬৮ আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই ২২ আসামির মধ্যে ১৮ জনই পলাতক। কারাগারে আছেন চারজন।
জেএমবিএফ মনে করে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যূনতম বিচারিক মানদণ্ড, কার্যকর আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করে দেওয়া এই মৃত্যুদণ্ড ন্যায়বিচারের প্রতিফলন নয়; বরং বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ভয়াবহ নজির।
সব আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন করা, তাঁদের পছন্দের আইনজীবীর মাধ্যমে কার্যকর প্রতিরক্ষা নিশ্চিত না করা, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য ও প্রমাণ অর্থপূর্ণভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন থাকা এবং স্বাধীন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের অনুপস্থিতি—সমগ্র বিচারপ্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে। ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবার সত্য, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং কার্যকর প্রতিকারের অধিকারী। কিন্তু ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
জবাবদিহির নামে পক্ষপাতদুষ্ট বিচার পরিচালনা করলে তা প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের পথকেও দুর্বল করে এবং ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের অধিকারকে রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে জিম্মি করে। আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার কখনোই বিজয়ীর বিচার, দলীয় প্রতিশোধ কিংবা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার প্রক্রিয়ায় পরিণত হতে পারে না।
জেএমবিএফ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছে যে, গুরুতরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডবহির্ভূত বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেওয়া এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা ন্যায়বিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের কর্তৃত্বে সংঘটিত একটি অপরিবর্তনীয় বিচারিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে।
মৃত্যুদণ্ড জীবনের অধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন। এটি নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি এবং বিচারিক ভুল সংশোধনের সব পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়। রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর মামলায় বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিকভাবে আদিষ্ট ও দুর্নীতিতে পরিপূর্ণ বিচারব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের ব্যবহার বাংলাদেশে ভয়, প্রতিহিংসা ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতিকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে।
রায়ে পাঁচ আসামির সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করে জুলাই শহীদদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশও যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া, সম্পত্তির বৈধ মালিকানা এবং নির্দোষ তৃতীয় পক্ষের অধিকার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কারও সম্পদ কেড়ে নেওয়া হলে তা সম্মিলিত শাস্তি ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শামিল হবে।
জেএমবিএফের জরুরি দাবি
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে—
- মৃত্যুদণ্ড ঘোষিত সকল (সাতজন) অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে স্থগিত ও বাতিল করতে হবে;
- প্রশ্নবিদ্ধ রায় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক পর্যালোচনা নিশ্চিত করতে হবে;
- গ্রেপ্তার বা স্বেচ্ছায় হাজির হওয়ার পর প্রত্যেক আসামিকে নতুন করে পূর্ণাঙ্গ, প্রকাশ্য ও ন্যায়সংগত বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে;
- অভিযুক্তদের নিজেদের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগ, সাক্ষীদের জেরা, প্রমাণ চ্যালেঞ্জ এবং কার্যকর আপিলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে;
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে নির্বাহী ও দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করতে হবে;
- রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার, নির্বিচার গ্রেপ্তার, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং সম্মিলিত শাস্তির সব প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে;
- জাতিসংঘ ও স্বাধীন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অবাধ সুযোগ দিতে হবে; এবং
- বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডের ওপর অবিলম্বে আনুষ্ঠানিক স্থগিতাদেশ ঘোষণা করে মৃত্যুদণ্ড সম্পূর্ণ বিলোপের উদ্যোগ নিতে হবে।
জেএমবিএফ জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের বিচারক ও আইনজীবীদের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক, বিচারবহির্ভূত ও নির্বিচার মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিচার কার্যক্রম বন্ধে অবিলম্বে সরাসরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছে।
বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের অস্ত্রে পরিণত করার অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা মৃত্যুদণ্ড ও বিচারিক নিপীড়নকে উৎসাহিত করবে। মানবাধিকারের প্রশ্নে দ্বৈত মানদণ্ড বা রাজনৈতিক সুবিধাবাদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জেএমবিএফ পুনর্ব্যক্ত করছে—রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ বা জনসমর্থন নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের ন্যায়সংগত বিচার এবং জীবনের অধিকার রয়েছে। অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করতে গিয়ে নতুন মানবাধিকার লঙ্ঘন সৃষ্টি করা যাবে না।
ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার চাই—রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয়। জবাবদিহি চাই—বিচারের নামে প্রহসন নয়। জীবনের অধিকার চাই—রাষ্ট্রীয় মৃত্যুদণ্ড নয়।
ALERTE BANGLADESH : Sept dirigeants de la Ligue Awami condamnés à mort à l’issue d’un procès à caractère politique
Paris, France | 15 septembre 2026 : JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde inquiétude et condamne sans équivoque les peines de mort prononcées par contumace contre sept dirigeants politiques de la Ligue Awami du Bangladesh, de la Jubo League et de la Bangladesh Chhatra League, à l’issue d’une procédure qui n’a pas respecté les normes internationales minimales garantissant l’équité d’un procès et qui semble avoir été motivée exclusivement par des considérations politiques.
Le 15 septembre 2026, le Tribunal des crimes internationaux du Bangladesh-2 a condamné à mort par contumace sept dirigeants politiques : Obaidul Quader, secrétaire général de la Ligue Awami du Bangladesh ; A.F.M. Bahauddin Nasim, secrétaire général adjoint ; Mohammad Ali Arafat, ancien ministre d’État chargé de l’Information et de la Radiodiffusion ; Sheikh Fazle Shams Parash, président de la Jubo League ; Mainul Hossain Khan, secrétaire général de la Jubo League ; Saddam Hussain, président central de la Bangladesh Chhatra League ; et Sheikh Wali Asif Inan, secrétaire général de la Bangladesh Chhatra League.
Le Tribunal a également ordonné la confiscation de la moitié des biens appartenant à Obaidul Quader, Bahauddin Nasim, Mohammad Ali Arafat, Sheikh Fazle Shams Parash et Mainul Hossain Khan. Il a en outre ordonné que les biens confisqués soient distribués, à titre d’indemnisation, aux familles des personnes tuées ainsi qu’aux personnes blessées lors du soulèvement de juillet.
À la suite de la chute du gouvernement de la Ligue Awami, le 5 août 2024, dans un contexte d’allégations de conspirations nationales et internationales et de mouvement populaire dirigé par des étudiants, le Tribunal des crimes internationaux—initialement créé pour poursuivre les crimes commis pendant la guerre de libération de 1971—a été reconstitué. La législation régissant son fonctionnement a ensuite été modifiée, et des procédures ont été engagées dans lesquelles les infractions qui auraient été commises pendant le soulèvement populaire de juillet ont été qualifiées, à des fins politiquement motivées, de crimes contre l’humanité.
Dans le cadre de sept jugements rendus par les deux tribunaux, 68 accusés auraient été reconnus coupables. Parmi eux, 22 personnes—dont Sheikh Hasina, Obaidul Quader et l’ancien ministre de l’Intérieur Asaduzzaman Khan—ont été condamnées à mort. Dix-huit de ces 22 personnes seraient en fuite, tandis que quatre sont actuellement détenues.
JMBF considère que ces condamnations à mort, prononcées sans que soient garantis les normes internationales minimales d’équité judiciaire, le droit effectif à la défense et les garanties d’une procédure régulière, ne constituent pas un acte de justice. Elles créent, au contraire, un précédent alarmant dans lequel le pouvoir judiciaire est utilisé comme un instrument de représailles politiques.
La conduite et l’achèvement de la procédure en l’absence de tous les accusés, l’incapacité à garantir leur représentation effective par des avocats de leur choix, les sérieuses préoccupations concernant leur possibilité de contester véritablement les témoins et les éléments de preuve présentés par l’accusation, ainsi que l’absence de toute observation internationale indépendante compromettent collectivement la crédibilité de l’ensemble du processus judiciaire.
Les homicides, les actes de torture et les autres crimes graves commis pendant le soulèvement populaire de juillet doivent faire l’objet d’enquêtes impartiales, et leurs responsables doivent être traduits en justice. Les victimes et leurs familles ont droit à la vérité, à la justice, à des réparations et à des recours effectifs. Toutefois, leur quête légitime de justice ne doit jamais être instrumentalisée pour servir de couverture à des représailles politiques.
Les procédures partiales menées au nom de la lutte contre l’impunité entravent la poursuite des véritables responsables et rendent le droit des victimes à la justice tributaire d’intérêts politiques. Les procédures portant sur des crimes internationaux ne doivent jamais être transformées en justice des vainqueurs, en représailles partisanes ou en mécanisme destiné à éliminer l’opposition politique.
JMBF déclare sans équivoque que, si ces condamnations à mort—prononcées à l’issue d’une procédure gravement défaillante et contraire aux normes internationales—étaient exécutées, elles ne constitueraient pas un acte de justice. Elles s’apparenteraient à des exécutions judiciaires irréversibles perpétrées sous l’autorité de l’État.
La peine de mort constitue la violation ultime du droit à la vie. Il s’agit d’une peine cruelle, inhumaine et dégradante qui élimine définitivement toute possibilité de réparer une erreur judiciaire. Le recours à la peine capitale dans des affaires politiquement sensibles, au sein d’un système judiciaire bangladais soumis à des influences politiques et gangrené par la corruption, contribuerait à institutionnaliser davantage une culture de la peur, des représailles et de la répression.
L’ordonnance prévoyant la confiscation de la moitié des biens de cinq accusés et leur distribution, à titre d’indemnisation, aux familles des personnes tuées et aux personnes blessées pendant le soulèvement de juillet soulève également de graves préoccupations concernant le respect des garanties procédurales, la propriété légitime des biens et les droits des tiers innocents. Toute saisie de biens fondée sur l’identité politique ou les liens familiaux constituerait une forme de punition collective et de persécution organisée par l’État.
Revendications urgentes de JMBF
JusticeMakers Bangladesh in France appelle le gouvernement du Bangladesh et toutes les autorités concernées à :
- Suspendre immédiatement et annuler les condamnations à mort prononcées contre les sept accusés ;
- Garantir un examen international, indépendant et impartial des jugements contestés et des procédures judiciaires ;
- Garantir à chaque accusé un nouveau procès complet, public et équitable en cas d’arrestation ou de comparution volontaire devant le Tribunal ;
- Garantir aux accusés le droit de désigner les avocats de leur choix, de contre-interroger les témoins, de contester les éléments de preuve et d’exercer un recours effectif ;
- Garantir que le Tribunal des crimes internationaux demeure entièrement à l’abri de toute ingérence du pouvoir exécutif et de toute influence politique partisane ;
- Mettre fin à toutes les poursuites à caractère politique, aux arrestations arbitraires, aux confiscations de biens et aux différentes formes de punition collective ;
- Accorder aux Nations unies et aux observateurs internationaux indépendants des droits humains un accès sans restriction afin qu’ils puissent suivre les procédures judiciaires ; et
- Instaurer immédiatement un moratoire officiel sur les exécutions et prendre des mesures concrètes en vue de l’abolition totale de la peine de mort au Bangladesh.
JMBF appelle le Haut-Commissaire des Nations unies aux droits de l’homme, la Rapporteuse spéciale des Nations unies sur l’indépendance des juges et des avocats, le Rapporteur spécial des Nations unies sur les exécutions extrajudiciaires, sommaires ou arbitraires, l’Union européenne et les organisations internationales de défense des droits humains à prendre des mesures immédiates et directes afin de contribuer à mettre un terme aux procédures judiciaires à caractère politique au Bangladesh.
Le silence de la communauté internationale face aux allégations selon lesquelles le pouvoir judiciaire bangladais serait instrumentalisé à des fins de représailles politiques encouragerait le recours à la peine capitale et la persécution judiciaire. Le double standard et l’opportunisme politique en matière de droits humains sont totalement inacceptables.
JMBF réaffirme que toute personne—indépendamment de son affiliation politique, de son idéologie ou du soutien dont elle bénéficie auprès de la population—a droit à la vie et à un procès équitable. De nouvelles violations des droits humains ne doivent jamais être commises au nom de la réparation des violations passées.
Justice pour les victimes, non aux représailles politiques. Responsabilité, non au simulacre de justice. Droit à la vie, non aux exécutions autorisées par l’État.
Solidairement,

No comments:
Post a Comment