Loading latest headlines...

April 09, 2026

BANGLADESH ALERT: JMBF Calls for Repeal of the Bill Passed in Parliament Banning Bangladesh Awami League

Paris, France | 09 April 2026:
 
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its deep concern, alarm, and strong protest over the passage of the amendment to the Anti-Terrorism Act on 8 April 2026 by the National Parliament of Bangladesh, which effectively imposes a permanent ban on Bangladesh Awami League—the largest, oldest, and historically significant political party that led the country’s War of Independence. This measure is not merely a political decision; rather, it is fundamentally inconsistent with the Constitution of Bangladesh, democratic principles, and international human rights standards. We consider this action to be a clearly politically motivated, repressive measure that constitutes a grave violation of the fundamental political rights of the people.

Press & Public Statement: JMBF Strongly Condemns the Ban on the Bangladesh Awami League and Its Affiliates



STATEMENT: JMBF Strongly Condemns the Ban on Bangladesh Chhatra League (BCL)

The Constitution of Bangladesh guarantees fundamental rights, including freedom of expression (Article 39), freedom of assembly (Article 37), and freedom of association (Article 38). Furthermore, under the international human rights framework, the right to political participation is a core civil right. The International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), to which Bangladesh is a party, protects freedom of expression (Article 19), peaceful assembly (Article 21), freedom of association (Article 22), and participation in public affairs (Article 25). A blanket ban on a political party directly interferes with these rights and contravenes Bangladesh’s international obligations.

The Bangladesh Awami League is deeply rooted in the country’s history, independence movement, and democratic development. Banning such a party does not merely affect an organization; it significantly restricts the political expression, representation, and participation of millions of citizens associated with it. This undermines political pluralism and contradicts the core principles of inclusive democracy.

We are particularly concerned that the bill was passed by voice vote without meaningful parliamentary debate, scrutiny, or opposition, despite its far-reaching implications. Transparency, accountability, and deliberation are essential components of constitutional lawmaking. The absence of these elements raises serious questions about the democratic legitimacy and procedural integrity of the law and increases the risk of abuse of state power.

The language and structure of the law are also deeply concerning. The broad and vague definition of “involvement in terrorist activities” grants sweeping powers to the executive branch to designate and ban individuals or entities. This raises serious concerns regarding judicial independence and the erosion of checks and balances. Under international human rights law, any restriction on fundamental rights must satisfy the principles of legality, necessity, and proportionality. There are substantial doubts as to whether the current law meets these essential criteria.

We further recall that on 12 May 2025, the then interim government led by Muhammad Yunus imposed a similar ban through an executive order following an ordinance amending the Anti-Terrorism Act. That measure had already raised serious concerns regarding constitutionality, the rule of law, and the separation of powers. The current legislation appears to formalize and institutionalize that earlier approach, indicating a continuing pattern of restrictive and potentially repressive governance.

We are deeply concerned that this law may not remain limited to one political party but could set a dangerous precedent for suppressing dissent, opposition political forces, and civil society. This risks narrowing political space and moving the country toward a controlled or restricted democratic system.

In light of constitutional guarantees and international human rights principles, JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) calls for:
  • The immediate repeal or substantive amendment of the Anti-Terrorism Act amendment passed on 8 April 2026, in line with constitutional and international human rights standards;
  • The immediate withdrawal of the blanket ban imposed on the Bangladesh Awami League and its affiliated organizations;
  • The restoration of the right of political parties and their members to engage in peaceful political activities;
  • Full protection of fundamental rights, including freedom of expression, assembly, and association;
  • The re-establishment of an inclusive, participatory, and pluralistic political environment for all political actors.
We call upon the international community, United Nations human rights mechanisms, the European Union, and democratic partners to closely monitor the situation and play a constructive role in upholding human rights and democratic commitments in Bangladesh.

We reiterate that democracy, human rights, and the rule of law are inseparable. Banning a major political force and restricting political participation weakens democratic institutions and, in the long term, undermines social stability, justice, and public trust in the state.

For the protection of democracy, human rights, and constitutional governance in Bangladesh, it is imperative that this law be urgently reconsidered and that an open and inclusive political environment be restored.

Thank you.

Advocate Shahanur Islam
Founder President
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNIB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org

বাংলাদেশ এলার্ট: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণে সংসদে পাস হওয়া বিল বাতিলের আহ্বান জেএমবিএফ এর 

প্যারিস, ফ্রান্স | ০৯ এপ্রিল ২০২৬: জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পাস করে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ, প্রাচীনতম এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং তা বাংলাদেশের সংবিধান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আমরা এই পদক্ষেপকে একটি সুস্পষ্টভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দমনমূলক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করছি, যা জনগণের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকারের ওপর গুরুতর আঘাত হানে।

বাংলাদেশের সংবিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৯), সমাবেশের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৭) এবং সংগঠন গঠনের স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ ৩৮) নিশ্চিত করেছে। তাছাড়া, মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক কাঠামো অনুযায়ী, রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার। আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত চুক্তি (ICCPR)-এর ১৯, ২১, ২২ এবং ২৫ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, সংগঠন গঠনের স্বাধীনতা এবং জনগণের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলকে সামগ্রিকভাবে নিষিদ্ধ করা এই অধিকারগুলোর ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাস, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং গণতান্ত্রিক বিকাশের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। এই দলকে নিষিদ্ধ করার ফলে শুধু একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়, বরং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত কোটি নাগরিকের রাজনৈতিক মতপ্রকাশ, প্রতিনিধিত্ব এবং অংশগ্রহণের অধিকার সংকুচিত হয়। এটি রাজনৈতিক বহুত্ববাদ (political pluralism) এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থী।

আমরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন যে, উক্ত বিলটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রস্তাবে কোনো কার্যকর সংসদীয় বিতর্ক, পর্যালোচনা বা বিরোধিতা ছাড়াই কণ্ঠভোটে পাস করা হয়েছে। সংবিধানসম্মত আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সংসদীয় বিতর্ক অপরিহার্য উপাদান। এসবের অনুপস্থিতি আইনটির গণতান্ত্রিক বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা বাড়ায়।

উক্ত আইনের ভাষা ও কাঠামো গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। “সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত” এই বিস্তৃত ও অস্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগকে যেকোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা বিচার বিভাগের কার্যকর ভূমিকা ও স্বাধীনতার প্রশ্ন উত্থাপন করে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আলোকে, যেকোনো অধিকার সীমিত করার ক্ষেত্রে “আইনসম্মততা (legality), প্রয়োজনীয়তা (necessity) এবং আনুপাতিকতা (proportionality)”—এই তিনটি মৌলিক নীতি অনুসরণ করা আবশ্যক। কিন্তু বর্তমান আইনের বিধান এই মানদণ্ড পূরণ করে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

আমরা আরও স্মরণ করছি যে, ১২ মে ২০২৫ তারিখে তৎকালীন মুহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সংশোধনী এনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছিল। সেই পদক্ষেপও সংবিধানিকতা, আইনের শাসন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল। বর্তমান সরকার সেই একই ধারাকে সংসদের মাধ্যমে আইনি বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে এবং একটি ধারাবাহিক দমনমূলক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

আমরা দৃঢ়ভাবে আশঙ্কা করছি যে, এই আইন কেবল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ভবিষ্যতে ভিন্নমত, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি এবং নাগরিক সমাজের ওপর দমন-পীড়নের একটি নজির হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এর ফলে রাজনৈতিক বহুত্ববাদ সংকুচিত হবে এবং একটি নিয়ন্ত্রিত বা সীমাবদ্ধ গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।

জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির আলোকে জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছে:
  • ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে পাসকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল অবিলম্বে বাতিল অথবা সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সংশোধন করতে হবে;
  • বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ওপর আরোপিত সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে;
  • সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও এর সদস্যদের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে;
  • মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সমাবেশের অধিকার এবং সংগঠনের স্বাধীনতার পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে;
  • সকল রাজনৈতিক শক্তির জন্য সমান, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।
আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে।

পরিশেষে, আমরা বিশ্বাস করি—মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন অবিচ্ছেদ্য। একটি বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিকে নিষিদ্ধ করে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সীমিত করা হলে তা শুধু গণতন্ত্রকেই দুর্বল করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক স্থিতিশীলতা, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতি, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করতে—এই আইন পুনর্বিবেচনা এবং একটি উন্মুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।

ধন্যবাদান্তে,

অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (JMBF)
সিএনআইবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড হস্মান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org ওয়েবসাইট: www.jmbf.org

ALERTE BANGLADESH : JMBF appelle à l’abrogation de la loi adoptée par le Parlement interdisant la Ligue Awami du Bangladesh

Paris, France | 09 avril 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation, son inquiétude et sa vive protestation face à l’adoption, le 8 avril 2026, par le Parlement national du Bangladesh, de l’amendement à la loi antiterroriste, qui impose de facto une interdiction permanente à la Ligue Awami du Bangladesh—le plus grand, le plus ancien et historiquement l’un des partis politiques les plus importants ayant dirigé la guerre d’indépendance du pays. Cette mesure ne constitue pas une simple décision politique ; elle est fondamentalement incompatible avec la Constitution du Bangladesh, les principes démocratiques et les normes internationales en matière de droits de l’homme. Nous considérons cette action comme une mesure répressive clairement motivée par des considérations politiques, constituant une grave atteinte aux droits politiques fondamentaux de la population.

La Constitution du Bangladesh garantit des droits fondamentaux, notamment la liberté d’expression (article 39), la liberté de réunion (article 37) et la liberté d’association (article 38). En outre, dans le cadre du droit international des droits de l’homme, le droit de participation politique est un droit civil essentiel. Le Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP), auquel le Bangladesh est partie, protège la liberté d’expression (article 19), la liberté de réunion pacifique (article 21), la liberté d’association (article 22) ainsi que le droit de participer aux affaires publiques (article 25). Une interdiction générale d’un parti politique constitue une atteinte directe à ces droits et contrevient aux obligations internationales du Bangladesh.

La Ligue Awami du Bangladesh est profondément enracinée dans l’histoire du pays, son mouvement d’indépendance et son évolution démocratique. L’interdiction d’un tel parti ne concerne pas uniquement une organisation ; elle restreint de manière significative l’expression politique, la représentation et la participation de millions de citoyens qui y sont associés. Cela porte atteinte au pluralisme politique et contredit les principes fondamentaux d’une démocratie inclusive.

Nous sommes particulièrement préoccupés par le fait que ce projet de loi a été adopté par vote vocal, sans véritable débat parlementaire, examen approfondi ni opposition, malgré ses implications considérables. La transparence, la responsabilité et la délibération sont des éléments essentiels du processus législatif dans un État de droit. Leur absence soulève de sérieuses questions quant à la légitimité démocratique et à l’intégrité procédurale de cette loi, et accroît le risque d’abus de pouvoir.

Le contenu et la structure de la loi sont également très préoccupants. La définition large et vague de « participation à des activités terroristes » confère à l’exécutif des pouvoirs étendus pour désigner et interdire des individus ou des entités. Cela soulève de sérieuses inquiétudes quant à l’indépendance du pouvoir judiciaire et à l’érosion de l’équilibre des pouvoirs. Selon le droit international des droits de l’homme, toute restriction aux droits fondamentaux doit respecter les principes de légalité, de nécessité et de proportionnalité. Il existe de sérieux doutes quant au respect de ces critères par la présente loi.

Nous rappelons également que, le 12 mai 2025, le gouvernement intérimaire dirigé par Muhammad Yunus avait imposé une interdiction similaire par décret exécutif à la suite d’une ordonnance modifiant la loi antiterroriste. Cette mesure avait déjà suscité de vives préoccupations en matière de constitutionnalité, d’État de droit et de séparation des pouvoirs. La législation actuelle semble institutionnaliser cette approche antérieure, révélant une tendance persistante vers une gouvernance restrictive et potentiellement répressive.

Nous craignons vivement que cette loi ne se limite pas à un seul parti politique, mais qu’elle crée un précédent dangereux pour la répression de la dissidence, des forces politiques d’opposition et de la société civile. Cela risque de restreindre l’espace politique et d’orienter le pays vers un système démocratique contrôlé ou limité.

À la lumière des garanties constitutionnelles et des principes internationaux des droits de l’homme, JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) appelle à :
  • L’abrogation immédiate ou la révision substantielle de l’amendement à la loi antiterroriste adopté le 8 avril 2026, conformément à la Constitution et aux normes internationales des droits de l’homme ;
  • La levée immédiate de l’interdiction générale imposée à la Ligue Awami du Bangladesh et à ses organisations affiliées ;
  • Le rétablissement du droit des partis politiques et de leurs membres à exercer des activités politiques pacifiques ;
  • La pleine protection des droits fondamentaux, notamment la liberté d’expression, de réunion et d’association ;
  • Le rétablissement d’un environnement politique inclusif, participatif et pluraliste pour l’ensemble des acteurs politiques.
Nous appelons la communauté internationale, les mécanismes des droits de l’homme des Nations Unies, l’Union européenne et les partenaires démocratiques à suivre de près la situation et à jouer un rôle constructif dans la défense des droits de l’homme et des engagements démocratiques au Bangladesh.

Nous réaffirmons que la démocratie, les droits de l’homme et l’État de droit sont indissociables. L’interdiction d’une force politique majeure et la restriction de la participation politique affaiblissent les institutions démocratiques et, à long terme, compromettent la stabilité sociale, la justice et la confiance du public envers l’État.

Pour la protection de la démocratie, des droits de l’homme et de l’ordre constitutionnel au Bangladesh, il est impératif que cette loi soit réexaminée de toute urgence et qu’un environnement politique ouvert et inclusif soit rétabli.

Merci.

Advocate Shahanur Islam
Président fondateur
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNIB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email : info@jmbf.org | Site web : www.jmbf.org

******************************************************************
Copyright © JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2025. All rights reserved. We welcome the use and sharing of this publication in any form or by any means, including electronic, mechanical, photocopying, or recording, with acknowledgement of JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF). 
JMBF is an independent, non-profit, nonpartisan human rights organization registered in France with registration number W931027714 under the 1901 Association Law, dedicated to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.

No comments:

Post a Comment