Paris, France | 13 July 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its deep concern and strong condemnation over the passage by the Parliament of Bangladesh of the Narcotics Control (Amendment) Bill, 2026, which introduces the death penalty as the maximum punishment for offences involving the online sale, purchase, supply, advertisement, brokerage, or transaction of narcotic drugs.
Today, 13 July 2026, Bangladesh's Minister of Home Affairs, Salahuddin Ahmed, introduced the Bill in Parliament. Following consideration of proposals for public consultation, referral to the Select Committee, and the disposal of proposed amendments, the Bill was passed by a voice vote. Under the Constitution, the Bill will become law once it receives the assent of the President.
JMBF recognizes that the illicit production, trafficking, and abuse of narcotic drugs constitute serious crimes that threaten public health, social stability, and national security. However, measures to combat these offences must be consistent with the Constitution, the rule of law, and international human rights standards. The death penalty, an irreversible form of punishment, cannot be regarded as an effective or appropriate response to drug-related crimes.
Bangladesh is a State Party to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR). Article 6 of the Covenant recognizes the inherent right to life as a fundamental and non-derogable human right. In its General Comment No. 36 (2018), the United Nations Human Rights Committee clarified that, in countries where the death penalty has not yet been abolished, it may be imposed only for the "most serious crimes," which are generally understood to involve intentional killing. Drug-related offences do not meet this threshold.
Furthermore, the Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights (OHCHR), United Nations human rights experts, and the United Nations Office on Drugs and Crime (UNODC) have consistently opposed the use of the death penalty for drug-related offences and have urged States to adopt drug control policies that comply with international human rights obligations.
JMBF is particularly concerned that, under the new Bill, the recovery of narcotic drugs from an accused person is no longer required to establish liability for online or cyber-related drug offences. Cases relying primarily on digital communications and electronic evidence carry inherent risks, including mistaken identification, identity theft, manipulation of digital evidence, and forensic errors. Imposing an irreversible punishment such as the death penalty under such circumstances significantly increases the risk of irreversible miscarriages of justice.
The Bill also expands the powers of the Department of Narcotics Control by authorizing designated officers to carry firearms, establish detention facilities and armouries, create dog squads, and establish a cybercrime unit and digital forensic laboratory. While strengthening law enforcement capacity may be a legitimate objective, these expanded powers must be accompanied by robust judicial oversight, independent accountability mechanisms, and effective safeguards against abuse. Without such protections, the risks of arbitrary arrest, abuse of power, and violations of the right to a fair trial will increase.
Articles 31, 32, and 35 of the Constitution of Bangladesh guarantee the right to the protection of the law, the right to life and personal liberty, and the right to a fair trial. Bangladesh is also bound by its international legal obligations to protect the right to life and ensure due process. Expanding the scope of the death penalty is therefore inconsistent with both Bangladesh's constitutional commitments and its obligations under international human rights law.
JMBF Founding President, Advocate Shahanur Islam, stated:
"Drug-related crimes must undoubtedly be addressed through effective law enforcement. However, toughness on crime should never come at the expense of fundamental human rights. At a time when more than two-thirds of the world's countries have abolished the death penalty in law or practice, and when the United Nations General Assembly has repeatedly adopted resolutions calling for a global moratorium on executions, Bangladesh's decision to introduce the death penalty into yet another piece of legislation is deeply alarming."
He further added:
"International human rights law is clear that drug-related offences do not constitute the 'most serious crimes' for which the death penalty may be imposed. Given the possibility of judicial error and the complexities surrounding digital evidence, imposing an irreversible punishment creates an unacceptable risk of a miscarriage of justice. Bangladesh should pursue a criminal justice system that is effective, accountable, and fully respectful of human rights. Drug-related offences should be addressed through evidence-based public health policies, rehabilitation, and strategies to combat organized crime—not through capital punishment."
JMBF Calls on the Government of Bangladesh to:
- Immediately reconsider and repeal the provisions of the Narcotics Control (Amendment) Bill, 2026 that introduce the death penalty, or suspend their implementation before the Bill enters into force;
- Ensure that the law is fully consistent with the Constitution of Bangladesh, the ICCPR, and international human rights standards;
- Guarantee internationally recognized forensic standards, independent investigations, effective legal assistance, and fair trial safeguards in cases relying on digital evidence;
- Adopt a comprehensive drug policy focused on public health, treatment, rehabilitation, prevention, and combating organized crime, rather than punitive approaches centered on capital punishment; and
- Initiate an open and inclusive review of the legislation involving judges, lawyers, human rights experts, public health specialists, digital technology experts, and representatives of civil society.
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) firmly believes that drug-related crime can be effectively addressed while fully upholding the rule of law, human rights, and the principles of justice. The death penalty has not been proven to be an effective deterrent to drug-related crime; rather, it creates an irreversible risk of wrongful execution and is incompatible with the evolving standards of international human rights law.
JMBF calls upon the Government of Bangladesh to establish a drug control framework that respects the right to life, complies with international human rights obligations, and prioritizes justice, accountability, and human dignity.
Thank you.
বাংলাদেশঃ মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক
প্যারিস, ফ্রান্স | ১৩ জুলাই ২০২৬: জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে অনলাইনে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা বা লেনদেনসংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছে।
আজ ১৩ জুলাই, সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে, বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে সংসদে সেটি পাস হয়। নিয়ম অনুযায়ী এখন বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সই করলেই এটি আইনে পরিণত হবে।
জেএমবিএফ মনে করে, মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎপাদন, পাচার ও অপব্যবহার নিঃসন্দেহে একটি গুরুতর অপরাধ এবং এটি জনস্বাস্থ্য, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে এই অপরাধ মোকাবিলার উপায় অবশ্যই সংবিধান, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। মৃত্যুদণ্ডের মতো অপরিবর্তনীয় শাস্তি কোনো কার্যকর মাদকবিরোধী নীতির বিকল্প হতে পারে না।
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত চুক্তি (ICCPR)-এর রাষ্ট্রপক্ষ। চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবনাধিকারকে মৌলিক ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি তার General Comment No. 36 (2018)-এ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছে যে, মৃত্যুদণ্ড কেবলমাত্র "সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ"—অর্থাৎ ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ এই মানদণ্ড পূরণ করে না।
এছাড়া জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR), জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞগণ এবং জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয় (UNODC) ধারাবাহিকভাবে মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করেছে এবং রাষ্ট্রসমূহকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মাদকনীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
জেএমবিএফ বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছে যে, নতুন বিলে অনলাইন বা সাইবারভিত্তিক মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রমাণের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক রাখা হয়নি। ডিজিটাল যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল মামলায় ভুল শনাক্তকরণ, পরিচয় জালিয়াতি, ডিজিটাল প্রমাণ বিকৃতি এবং ফরেনসিক ত্রুটির ঝুঁকি বিদ্যমান। এ ধরনের পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের মতো অপরিবর্তনীয় শাস্তি বিচারিক ভুলের অপূরণীয় পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
একই সঙ্গে বিলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ক্ষমতা, নিজস্ব হাজতখানা ও অস্ত্রাগার স্থাপন, ডগ স্কোয়াড গঠন এবং সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ শাখা ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বাধীন বিচারিক তত্ত্বাবধান, কার্যকর জবাবদিহিতা এবং মানবাধিকার সুরক্ষার নিশ্চয়তা অপরিহার্য। অন্যথায় ক্ষমতার অপব্যবহার, নির্বিচার গ্রেপ্তার এবং ন্যায্য বিচারের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১, ৩২ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভ, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা এবং ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনে জীবনাধিকার ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা বহন করে। তাই মৃত্যুদণ্ডের পরিধি সম্প্রসারণ দেশের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন:
"মাদক অপরাধ অবশ্যই কঠোরভাবে দমন করতে হবে। কিন্তু কঠোরতা কখনোই মানবাধিকার বিসর্জনের সমার্থক হতে পারে না। বর্তমান বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দেশ যখন আইন বা বাস্তব প্রয়োগে মৃত্যুদণ্ড পরিত্যাগ করেছে এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ একাধিকবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর বৈশ্বিক স্থগিতাদেশ (Moratorium)-এর আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, বিশ্ব সম্প্রদায় যখন দিনে দিনে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের পথে হাঁটছে, তখন বাংলাদেশে বিভিন্ন আইনে নতুন করে মৃত্যুদণ্ডের মতো অমানবিক শাস্তির অন্তর্ভুক্তি গভীর উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন,
"আন্তর্জাতিক আইন স্পষ্টভাবে বলে যে, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য 'সবচেয়ে গুরুতর অপরাধ'-এর মধ্যে পড়ে না। বিচারিক ভুলের সম্ভাবনা এবং ডিজিটাল প্রমাণের জটিলতার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের অপরিবর্তনীয় শাস্তি ন্যায়বিচারের জন্য গভীর ঝুঁকি সৃষ্টি করে। বাংলাদেশকে এমন একটি বিচারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা একই সঙ্গে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং মানবাধিকারসম্মত। মাদক অপরাধকে জনস্বাস্থ্য, পুনর্বাসন এবং সংগঠিত অপরাধ দমনের সমন্বিত নীতির মাধ্যমে মোকাবিলা করা উচিত; মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে নয়।"
জেএমবিএফ-এর আহ্বান
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) বাংলাদেশ সরকার, রাষ্ট্রপতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—
- ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এ অন্তর্ভুক্ত মৃত্যুদণ্ডের বিধান পুনর্বিবেচনা করে অবিলম্বে তা বাতিল অথবা কার্যকর হওয়ার পূর্বে স্থগিত করা হোক;
- আইনটিকে বাংলাদেশের সংবিধান, ICCPR এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হোক;
- ডিজিটাল প্রমাণনির্ভর অপরাধের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফরেনসিক মান, স্বাধীন তদন্ত, কার্যকর আইনগত সহায়তা এবং ন্যায্য বিচারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হোক;
- মাদক সমস্যাকে কেবল দণ্ডমূলক নয়, বরং জনস্বাস্থ্য, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, সামাজিক প্রতিরোধ এবং সংগঠিত অপরাধ দমনের সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গিতে মোকাবিলা করা হোক;
- আইনটি নিয়ে বিচারপতি, আইনজীবী, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শুরু করা হোক।
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) বিশ্বাস করে, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের নীতিকে সমুন্নত রেখেই মাদক অপরাধ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। মৃত্যুদণ্ড অপরাধ দমনের কার্যকর উপায় হিসেবে প্রমাণিত নয়; বরং এটি বিচারিক ভুলের ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি সৃষ্টি করে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
জেএমবিএফ বাংলাদেশ সরকারকে জীবনাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, মানবাধিকারসম্মত এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।
শুভেচ্ছাসহ—
BANGLADESH : L'adoption de la Loi modifiant la Loi sur le contrôle des stupéfiants de 2026, introduisant la peine de mort pour les infractions liées aux stupéfiants, est contraire au droit international des droits de l'homme
Paris (France), le 13 juillet 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation et condamne fermement l'adoption par le Parlement du Bangladesh de la Loi modifiant la Loi sur le contrôle des stupéfiants de 2026 (Narcotics Control (Amendment) Bill, 2026), qui prévoit la peine de mort comme sanction maximale pour les infractions liées à la vente, à l'achat, à la fourniture, à la publicité, à l'intermédiation ou aux transactions de stupéfiants réalisées en ligne.
Le 13 juillet 2026, le ministre bangladais de l'Intérieur, Salahuddin Ahmed, a présenté ce projet de loi au Parlement. Après examen des propositions de consultation publique, son renvoi devant la commission parlementaire compétente et l'examen des amendements proposés, le texte a été adopté par vote à main levée. Conformément à la Constitution, il entrera en vigueur après promulgation par le Président de la République.
JMBF reconnaît que la production illicite, le trafic et l'abus de stupéfiants constituent des infractions graves qui menacent la santé publique, la stabilité sociale et la sécurité nationale. Toutefois, les mesures destinées à lutter contre ces crimes doivent être conformes à la Constitution, à l'État de droit et aux normes internationales relatives aux droits de l'homme. La peine de mort, sanction irréversible, ne constitue ni une réponse efficace ni une réponse appropriée aux infractions liées aux stupéfiants.
Le Bangladesh est État partie au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP). L'article 6 du Pacte reconnaît le droit à la vie comme un droit fondamental et inhérent à toute personne. Dans son Observation générale n° 36 (2018), le Comité des droits de l'homme des Nations Unies a précisé que, dans les États où la peine de mort n'a pas encore été abolie, celle-ci ne peut être appliquée qu'aux « crimes les plus graves », c'est-à-dire, de manière générale, aux homicides intentionnels. Les infractions liées aux stupéfiants ne répondent pas à ce critère.
Par ailleurs, le Haut-Commissariat des Nations Unies aux droits de l'homme (HCDH/OHCHR), les experts des Nations Unies en matière de droits de l'homme ainsi que l'Office des Nations Unies contre la drogue et le crime (ONUDC/UNODC) se sont constamment opposés au recours à la peine de mort pour les infractions liées aux stupéfiants et ont appelé les États à adopter des politiques antidrogue conformes à leurs obligations internationales en matière de droits de l'homme.
JMBF est particulièrement préoccupée par le fait que, selon cette nouvelle loi, la saisie de stupéfiants auprès de la personne poursuivie ne sera plus nécessaire pour établir sa responsabilité pénale dans les affaires de trafic de stupéfiants commis en ligne ou par voie électronique. Les procédures fondées principalement sur des communications numériques et des preuves électroniques comportent des risques importants, notamment d'erreur d'identification, d'usurpation d'identité, de manipulation des preuves numériques et d'erreurs médico-légales. L'application de la peine de mort dans de telles circonstances accroît considérablement le risque d'erreurs judiciaires irréversibles.
La loi élargit également les pouvoirs du Département du contrôle des stupéfiants en autorisant certains agents à porter des armes à feu, à créer des centres de détention et des armureries, à mettre en place des brigades cynophiles, ainsi qu'une unité spécialisée dans la cybercriminalité et un laboratoire de criminalistique numérique. Si le renforcement des capacités des forces de l'ordre peut constituer un objectif légitime, ces nouveaux pouvoirs doivent impérativement être assortis d'un contrôle judiciaire effectif, de mécanismes indépendants de reddition de comptes et de garanties suffisantes contre les abus. À défaut, les risques d'arrestations arbitraires, d'abus de pouvoir et de violations du droit à un procès équitable seront accrus.
Les articles 31, 32 et 35 de la Constitution du Bangladesh garantissent respectivement le droit à la protection de la loi, le droit à la vie et à la liberté individuelle, ainsi que le droit à un procès équitable. En outre, le Bangladesh est tenu, en vertu du droit international, de protéger le droit à la vie et de garantir le respect des garanties d'une procédure régulière. L'élargissement du champ d'application de la peine de mort est donc incompatible tant avec les engagements constitutionnels du Bangladesh qu'avec ses obligations internationales.
Le président fondateur de JMBF, Me Shahanur Islam, a déclaré :
« Les infractions liées aux stupéfiants doivent être combattues avec fermeté. Toutefois, la fermeté ne doit jamais se faire au détriment des droits fondamentaux. Alors que plus des deux tiers des États du monde ont aboli la peine de mort en droit ou en pratique et que l'Assemblée générale des Nations Unies adopte régulièrement des résolutions appelant à un moratoire universel sur les exécutions, la décision du Bangladesh d'étendre encore le champ d'application de la peine capitale est profondément préoccupante. »
Il a ajouté :
« Le droit international des droits de l'homme est sans équivoque : les infractions liées aux stupéfiants ne relèvent pas de la catégorie des "crimes les plus graves" pouvant justifier la peine de mort. Compte tenu des risques d'erreur judiciaire et des difficultés inhérentes aux preuves numériques, l'application d'une sanction irréversible crée un risque inacceptable d'erreur judiciaire. Le Bangladesh devrait privilégier un système de justice pénale efficace, responsable et respectueux des droits de l'homme. Les infractions liées aux stupéfiants devraient être traitées par des politiques fondées sur la santé publique, la prévention, la réadaptation et la lutte contre la criminalité organisée, plutôt que par le recours à la peine capitale. »
JMBF appelle le Gouvernement du Bangladesh à :
- reconsidérer sans délai et abroger les dispositions de la Loi modifiant la Loi sur le contrôle des stupéfiants de 2026 introduisant la peine de mort, ou à tout le moins suspendre leur application avant l'entrée en vigueur de la loi ;
- veiller à ce que cette législation soit pleinement conforme à la Constitution du Bangladesh, au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP) et aux normes internationales relatives aux droits de l'homme ;
- garantir le respect des normes internationales en matière d'expertise médico-légale, des enquêtes indépendantes, de l'assistance juridique effective et des garanties d'un procès équitable dans les affaires reposant sur des preuves numériques ;
- adopter une politique globale en matière de drogues fondée sur la santé publique, les soins, la réadaptation, la prévention et la lutte contre la criminalité organisée, plutôt que sur une approche exclusivement répressive centrée sur la peine capitale ;
- engager un processus de révision ouvert et inclusif de cette législation avec la participation de magistrats, d'avocats, d'experts des droits de l'homme, de spécialistes de la santé publique, d'experts du numérique et de représentants de la société civile.
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) est convaincue qu'il est possible de lutter efficacement contre les infractions liées aux stupéfiants tout en respectant pleinement l'État de droit, les droits de l'homme et les principes de justice. La peine de mort n'a jamais été démontrée comme étant un moyen efficace de dissuasion contre les infractions liées aux stupéfiants ; en revanche, elle crée un risque irréversible d'exécutions injustifiées et demeure incompatible avec l'évolution du droit international des droits de l'homme.
JMBF appelle le Gouvernement du Bangladesh à mettre en place un cadre de lutte contre les stupéfiants qui respecte le droit à la vie, soit conforme à ses obligations internationales et place au cœur de son action la justice, la responsabilité et la dignité humaine.

No comments:
Post a Comment