"Threads Under Pressure: The Ready-Made Garment Workers' Rights Crisis in Bangladesh 2026"
"Bangladesh’s garment industry has become one of the world’s leading apparel exporters; however, millions of workers continue to endure delayed wages, unsafe workplaces, and persistent violations of their fundamental rights. Economic growth cannot be considered sustainable when it is achieved at the expense of workers’ dignity, health, safety, and internationally recognized labour rights. No worker should face violence, intimidation, or arrest simply for peacefully demanding wages already earned or safer working conditions."
"The international community—including the European Union, the International Labour Organization, the United Nations, development partners, international financial institutions, and global apparel brands—must intensify efforts to promote meaningful labour reforms and ensure that Bangladesh’s economic progress is accompanied by respect for workers’ rights, corporate accountability, and social justice. Sustainable supply chains cannot be built on labour exploitation or impunity."
- Ensure the timely payment of wages, overtime compensation, festival bonuses, severance payments, and all legally mandated benefits.
- Protect workers’ rights to freedom of association, peaceful assembly, freedom of expression, and collective bargaining.
- End the unnecessary and disproportionate use of force against peaceful labour protests.
- Conduct prompt, independent, impartial, and transparent investigations into allegations of labour rights violations and police abuses.
- Strengthen labour inspections and enforce occupational health, workplace safety, sanitation, and hygiene standards.
- Hold factory owners and responsible public officials accountable for violations of national labour laws and international human rights obligations.
- Implement comprehensive labour reforms that place workers’ rights, occupational safety, and human dignity at the centre of industrial development.
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকদের অধিকার সংকটের অবনতিশীল পরিস্থিতি তুলে ধরে জেএমবিএফ-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ
“চাপের মুখে পোশাক শিল্প: বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের অধিকার সংকট ২০২৬”
প্যারিস, ফ্রান্স | ১৫ জুলাই ২০২৬: ফ্রান্সভিত্তিক স্বাধীন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) আজ তাদের মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন “চাপের মুখে পোশাক শিল্প: বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের অধিকার সংকট ২০২৬” প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটিতে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (RMG) খাতে ব্যাপক শ্রম অধিকার লঙ্ঘন এবং অবনতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি জেএমবিএফ-এর সহকারী মহাসচিব মিসেস জান্নাতুল ফেরদৌস কর্তৃক গবেষণা এবং জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে। এতে নথিভুক্ত ঘটনা, নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, সরকারি তথ্য-উপাত্ত এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত বিভিন্ন উৎসের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিলম্ব ও বকেয়া, ব্যাপক ছাঁটাই, কারখানা বন্ধ, শান্তিপূর্ণ শ্রমিক আন্দোলন দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, অপর্যাপ্ত পেশাগত স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং শ্রম অধিকার রক্ষায় দুর্বল আইন প্রয়োগের ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনের অন্যতম প্রধান অনুসন্ধানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৮০টি তৈরি পোশাক কারখানার ২০,৭৮৩ জন শ্রমিক তাদের চাকরি হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৪৫৭টি তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল কারখানা কার্যক্রম বন্ধ করেছে বলে জানা গেছে, যার ফলে ২,৪০,০০০-এর বেশি শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৫টি কারখানা পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশের অভাবে, ১৯০টি আর্থিক সংকট বা দেউলিয়াত্বের কারণে, ১১টি শ্রম অসন্তোষের কারণে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা, ব্যাংকিং সংকট, জ্বালানি সংকট, কাঁচামালের ঘাটতি এবং কারখানা স্থানান্তরের মত ৫১টি অন্যান্য কারণে বন্ধ হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে ব্যাপক বিলম্ব, অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক না দেওয়া, উৎসব ভাতা বকেয়া রাখা, ইচ্ছামতো চাকরিচ্যুতি এবং ক্রমাবনতিশীল কর্মপরিবেশের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এসব কারণে হাজার হাজার শ্রমিক ও তাদের পরিবার গুরুতর আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও উল্লেখ করেছে যে, তৈরি পোশাক শ্রমিকরা বকেয়া বেতন প্রদান এবং উন্নত কর্মপরিবেশের দাবিতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন, ফৌজদারি মামলা এবং কয়েকটি নথিভুক্ত ঘটনায় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট এবং অন্যান্য জনতা নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনা শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংগঠন করার স্বাধীনতা রক্ষায় বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইনগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
প্রতিবেদনটিতে পেশাগত স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতাও চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে বারবার সংঘটিত অসুস্থতার ঘটনা এবং কর্মক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানীয় জলের সীমিত সুবিধা, অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচল, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অতিরিক্ত ভিড়যুক্ত উৎপাদন এলাকা, ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ এবং অপর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
এই পরিস্থিতি বিশেষ করে নারীদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে, কারণ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে কর্মরত শ্রমিকদের সংখ্যাগরিষ্ঠই নারী বলে জেএমবিএফ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম বলেন:
“বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পোশাক রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে; কিন্তু এর পেছনে থাকা লাখ লাখ শ্রমিক এখনও বেতন বিলম্ব, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন। শ্রমিকদের মর্যাদা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রম অধিকারকে উপেক্ষা করে অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই উন্নয়ন বলা যায় না। কোনো শ্রমিকেরই শান্তিপূর্ণভাবে প্রাপ্য বেতন বা নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবি জানানোর কারণে সহিংসতা, হয়রানি বা গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়।”
জেএমবিএফ-এর প্রধান উপদেষ্টা রবার্ট সাইমন বলেন:
“আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়—বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO), জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বৈশ্বিক পোশাক ব্র্যান্ডসমূহকে—অর্থবহ শ্রম সংস্কার নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি যেন শ্রমিক অধিকার, কর্পোরেট জবাবদিহিতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শ্রমিক শোষণ বা দায়মুক্তির ওপর ভিত্তি করে টেকসই সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি প্রদান করে এবং প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যাদের অধিকাংশই নারী। জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা সত্ত্বেও, প্রতিবেদনটি উপসংহারে বলেছে যে অনেক শ্রমিক এখনও বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় শ্রম আইন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে স্বীকৃত অধিকার ভোগ করতে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।
সুপারিশসমূহ
জেএমবিএফ বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে:
- শ্রমিকদের বেতন, অতিরিক্ত কাজের পারিশ্রমিক, উৎসব ভাতা, চাকরি সমাপ্তির ক্ষতিপূরণ এবং আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সকল সুবিধা সময়মতো নিশ্চিত করা হোক।
- শ্রমিকদের সংগঠন করার স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং যৌথ দরকষাকষির অধিকার সুরক্ষা করা হোক।
- শান্তিপূর্ণ শ্রমিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ বন্ধ করা হোক।
- শ্রম অধিকার লঙ্ঘন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করা হোক।
- শ্রম পরিদর্শন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং পেশাগত স্বাস্থ্য, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির মান কার্যকর করা হোক।
- জাতীয় শ্রম আইন ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের জন্য কারখানা মালিক এবং দায়ী সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হোক।
- এমন সমন্বিত শ্রম সংস্কার বাস্তবায়ন করা হোক, যেখানে শিল্প উন্নয়নের কেন্দ্রে থাকবে শ্রমিকের অধিকার, পেশাগত নিরাপত্তা এবং মানবিক মর্যাদা।
প্রতিবেদনে জেএমবিএফ আন্তর্জাতিক পোশাক ব্র্যান্ড, খুচরা বিক্রেতা, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বৈশ্বিক ক্রেতাদের প্রতি তাদের সরবরাহ ব্যবস্থায় মানবাধিকার যথাযথ যাচাই (Human Rights Due Diligence) জোরদার করার এবং তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম যেন শ্রম শোষণ বা অন্য কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনে অবদান না রাখে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশে মর্যাদাপূর্ণ শ্রম, দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ এবং কর্পোরেট জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা সরকার, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক সংস্থা, শ্রম অধিকার কর্মী, ট্রেড ইউনিয়ন, সাংবাদিক, গবেষক, বিনিয়োগকারী, বৈশ্বিক ব্র্যান্ড এবং নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর জন্য প্রমাণভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করবে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি সংযুক্ত QR কোড স্ক্যান করে অথবা নিচের লিংকে পাওয়া যাবে: https://www.jmbf.org/2026/07/threads-under-pressure-ready-made.html
শুভেচ্ছাসহ,
JMBF publie un rapport majeur révélant l’aggravation de la crise des droits des travailleurs du secteur du prêt-à-porter au Bangladesh
« L’industrie du prêt-à-porter au Bangladesh est devenue l’un des principaux secteurs d’exportation de vêtements au monde ; pourtant, des millions de travailleurs continuent de subir des retards de salaires, des conditions de travail dangereuses et des violations persistantes de leurs droits fondamentaux. La croissance économique ne peut être considérée comme durable lorsqu’elle se fait au détriment de la dignité, de la santé, de la sécurité et des droits du travail reconnus internationalement. Aucun travailleur ne devrait être victime de violence, d’intimidation ou d’arrestation simplement pour avoir réclamé pacifiquement le paiement de salaires dus ou des conditions de travail sûres. »
« La communauté internationale — notamment l’Union européenne, l’Organisation internationale du Travail, les Nations Unies, les partenaires au développement, les institutions financières internationales et les grandes marques internationales de vêtements — doit renforcer ses efforts afin de promouvoir de véritables réformes du travail et de veiller à ce que la réussite économique du Bangladesh s’accompagne du respect des droits des travailleurs, de la responsabilité des entreprises et de la justice sociale. Des chaînes d’approvisionnement durables ne peuvent être construites sur l’exploitation des travailleurs ou l’impunité. »
- Garantir le paiement ponctuel des salaires, des heures supplémentaires, des primes de fêtes, des indemnités de licenciement et de tous les avantages prévus par la loi.
- Protéger les droits des travailleurs à la liberté d’association, à la réunion pacifique, à la liberté d’expression et à la négociation collective.
- Mettre fin à l’usage inutile et disproportionné de la force contre les manifestations pacifiques des travailleurs.
- Mener des enquêtes rapides, indépendantes, impartiales et transparentes sur les allégations de violations des droits du travail et d’abus commis par les forces de l’ordre.
- Renforcer les inspections du travail et faire respecter les normes relatives à la santé, à la sécurité, à l’hygiène et aux conditions de travail.
- Tenir responsables les propriétaires d’usines et les responsables publics impliqués dans des violations des lois nationales du travail et des obligations internationales en matière de droits humains.
- Mettre en œuvre des réformes globales du travail plaçant les droits des travailleurs, la sécurité professionnelle et la dignité humaine au cœur du développement industriel.

No comments:
Post a Comment