Loading latest headlines...

May 26, 2026

BANGLADESH ALERT: JMBF Deeply Concerned over the Death in Jail Custody of Former Satkhira Judge Court PP and Senior Lawyer Abdul Latif

Paris, France | 26 May 2026:
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses deep concern and strong protest over the death in jail custody of Abdul Latif, former Public Prosecutor (PP) of the Satkhira Judge Court and a senior lawyer.

Abdul Latif had long served in the legal profession as a senior lawyer and former Public Prosecutor. Following the political changeover on 5 August 2024, multiple cases of murder and sabotage were filed against him. According to his family members, colleagues, and local sources, these cases were politically motivated and false. Although he remained in hiding for some time to avoid arrest, he was eventually arrested by police from the Boyra area of Khulna on 13 December 2025. Subsequently, he was shown arrested in three murder cases and sent to prison.

JMBF is deeply concerned that Abdul Latif remained detained in prison without trial for over five months. There was no visible progress in the judicial process regarding the allegations brought against him. Detaining a person for a prolonged period without proving the allegations and without ensuring an effective judicial process is contrary to the fundamental principles of justice. Subjecting a person to what effectively amounts to punishment before the completion of trial is incompatible with the norms of a civilized democratic system.

As a State Party to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), Bangladesh is obligated to ensure every individual’s right to life, human dignity, and a fair trial. Under the United Nations “Nelson Mandela Rules,” the State is responsible for ensuring humane prison conditions, adequate medical care, hygienic accommodation, and security for detainees. The State cannot evade responsibility when a prisoner dies due to lack of treatment, negligence, or inhumane conditions.

According to allegations made by family members and colleagues, Abdul Latif had been living in inhumane prison conditions, suffering from poor-quality food, inadequate sanitation facilities, unhealthy surroundings, unsuitable accommodation, and lack of proper medical care. It is also alleged that effective medical treatment was not ensured in a timely manner even after he became seriously ill. The death of a person in state custody raises serious questions of state accountability and constitutes a grave concern for civil and human rights.

JMBF believes that the culture of political retaliation, false cases, and extrajudicial harassment weakens the rule of law and erodes public confidence in the justice system. Depriving citizens of their fundamental rights on the basis of political identity or ideology is contrary to democratic principles and constitutional governance.

Advocate Shahanur Islam, Founder President of JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) and a prominent human rights lawyer, stated:
“The death of senior lawyer Abdul Latif in Satkhira prison is not an isolated incident. Rather, it is part of a continuing pattern since the fall of the Awami League government, where Awami League leaders and activists have been arrested in one false case after another, detained for months without trial, and subjected to deaths in custody due to poor-quality food, inadequate sanitation, unhealthy prison conditions, unsuitable accommodation, and lack of proper medical care.”
He further stated:
“The death of any person in state custody is not merely a personal tragedy; it is a serious question of state accountability and the human rights situation in the country. The State bears full responsibility for the life and medical care of detainees. Therefore, any death resulting from negligence, denial of treatment, or inhumane prison conditions is deeply alarming and unacceptable. The government must take immediate and effective measures in this regard.”
JMBF calls for the immediate formation of an independent, impartial, and judicial inquiry commission into the death of Abdul Latif. At the same time, JMBF urges the authorities to identify and hold accountable those responsible for failures relating to his treatment, security, and human rights conditions in custody. Furthermore, JMBF calls for the effective implementation of an independent prison inspection mechanism in accordance with the Optional Protocol to the Convention against Torture (OPCAT).

JMBF strongly urges the Government of Bangladesh to ensure the safety, medical care, and humane conditions of all prisoners in accordance with international human rights standards. JMBF also calls for effective measures to end prolonged detention without trial, politically motivated prosecutions, and the broader culture of human rights violations.

Finally, JMBF demands appropriate compensation, as well as psychosocial rehabilitation and support, for the victim’s family members.

In Solidarity,

Mosammat Jannatul Ferdaus
Member, Executive Committee
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)

CNB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org

Facts in Brief: Death in Custody of Former Satkhira Judge Court Public Prosecutor (PP) and Senior Lawyer Abdul Latif

Abdul Latif, former Public Prosecutor (PP) of the Satkhira Judge Court and a senior lawyer, died while in prison custody in connection with three murder cases. On the night of Monday, 25 May 2026, he reportedly fell seriously ill. At around 3:35 a.m., prison authorities admitted him to Satkhira Sadar Hospital after he complained of chest pain. He died at approximately 4:00 a.m. while undergoing treatment.

Family members and colleagues have alleged that his death resulted from poor-quality food, inadequate sanitation facilities, an unhealthy prison environment, unsuitable sleeping arrangements, and the lack of proper medical treatment in prison.

Abdul Latif was the son of the late Monsur Sardar of Kamarbaisa village under Satkhira Sadar Upazila. He was also serving as the Acting President of the Bangabandhu Awami Lawyers’ Council.

Following the fall of the Awami League-led government on 5 August 2024, eight cases involving murder and sabotage were filed against the former PP. After the cases were filed, he reportedly went into hiding in Khulna to avoid arrest.

While in hiding, he was arrested by police from the Boyra area of Khulna on 13 December 2025. Later, he was shown arrested in three murder cases and remained detained in prison without trial for the last five months.

বাংলাদেশ এলার্ট: সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল লতিফের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় জেএমবিএফ-এর গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ

প্যারিস, ফ্রান্স | ২৬ মে ২০২৬: সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল লতিফের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

আব্দুল লতিফ একজন প্রবীণ আইনজীবী ও সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দীর্ঘদিন আইন পেশায় দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা ও নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়। পরিবার, সহকর্মী ও স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এসব মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে থাকলেও ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তিনটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

জেএমবিএফ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, আব্দুল লতিফ দীর্ঘ পাঁচ মাস যাবৎ বিনা বিচারে কারাগারে আটক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি ছিল না। কোনো ব্যক্তিকে অভিযোগ প্রমাণের পূর্বেই দীর্ঘ সময় কারাগারে আটক রাখা এবং কার্যকর বিচারিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত না করা ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। বিচার শেষ হওয়ার আগেই একজন মানুষকে কার্যত শাস্তির মুখোমুখি করা সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি (ICCPR)-এর সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে প্রত্যেক ব্যক্তির জীবন, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে বাধ্য। জাতিসংঘের “Nelson Mandela Rules” অনুযায়ী কারাগারে আটক ব্যক্তিদের মানবিক পরিবেশ, পর্যাপ্ত চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো বন্দি চিকিৎসার অভাব, অবহেলা বা অমানবিক পরিবেশের কারণে মৃত্যুবরণ করলে তার দায় রাষ্ট্র এড়াতে পারে না।

পরিবার ও সহকর্মীদের অভিযোগ অনুযায়ী, আব্দুল লতিফ কারাগারে নিম্নমানের খাবার, অপর্যাপ্ত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অনুপযুক্ত আবাসন এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পরও সময়মতো কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। হেফাজতে থাকা একজন ব্যক্তির মৃত্যু রাষ্ট্রের জবাবদিহিতার প্রশ্ন সৃষ্টি করে এবং এ ধরনের ঘটনা নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) মনে করে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মিথ্যা মামলা ও বিচারবহির্ভূত হয়রানির সংস্কৃতি আইনের শাসনকে দুর্বল করে এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করে। কোনো নাগরিকের রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শের কারণে তার মৌলিক অধিকার খর্ব করা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিপন্থী।

জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন, 
“সাতক্ষীরা কারাগারে সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল লতিফের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একের পর এক মিথ্যা মামলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, পরবর্তীতে মাসের পর মাস বিনা বিচারে কারাগারে অন্তরীণ করে রাখা এবং কারাগারে নিম্নমানের খাবার, অপর্যাপ্ত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, অনুপযুক্ত আবাসন ও যথাযথ চিকিৎসাসেবার অভাবে একের পর এক নেতাকর্মীর মৃত্যুবরণের ঘটনারই একটি অংশমাত্র।”
তিনি আরও বলেন, 
“হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তির মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়; এটি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একজন বন্দির জীবন ও চিকিৎসার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রের ওপর বর্তায়। তাই কারাগারে অবহেলা, চিকিৎসাহীনতা কিংবা অমানবিক পরিবেশের কারণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে সরকারের অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।”

জেএমবিএফ আব্দুল লতিফের মৃত্যুর ঘটনায় অবিলম্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছে। একইসঙ্গে কারাগারে তার চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়ে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে। এছাড়া নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সনদের ঐচ্ছিক প্রোটোকল (OPCAT) অনুযায়ী স্বাধীন কারাগার পরিদর্শন ব্যবস্থা কার্যকরের আহ্বান জানাচ্ছে।

জেএমবিএফ দেশের সকল কারাগারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুসারে বন্দিদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি বিচারবিহীন দীর্ঘ আটক, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সংস্কৃতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।

সর্বোপরি, জেএমবিএফ নিহতের পরিবারের সদস্যদের মানসিক ও সামাজিক পুনর্বাসন এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের জোর দাবি জানাচ্ছে।

ধন্যবাদান্তে,

মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
সদস্য, কার্যনির্বাহী কমিটি
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)

সিনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড হসমান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org | ওয়েবসাইট: www.jmbf.org

ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল লতিফের কারাগারে মৃত্যুবরণ

তিনটি হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল লতিফ মৃত্যুবরণ করেছেন। ২৫ মে সোমবার দিবাগত রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ৩টা ৩৫ মিনিটে জেল কর্তৃপক্ষ তাকে বুকে ব্যথাজনিত সমস্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

কারাগারে নিম্নমানের খাবার, অপর্যাপ্ত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ঘুমানোর অনুপযুক্ত ব্যবস্থা এবং যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীরা।

আব্দুল লতিফ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবাইসা গ্রামের মৃত মুনসুর সরদারের ছেলে। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতার মামলা দায়ের করা হয়। মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।

আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বয়রা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলে তিনি সেসব মামলায় বিগত পাঁচ মাস যাবৎ বিনা বিচারে কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ALERTE BANGLADESH : Le JMBF profondément préoccupé par le décès en détention carcérale de l’ancien procureur public (PP) du tribunal de Satkhira et avocat senior Abdul Latif

Paris, France | 26 mai 2026 : JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation et sa vive protestation à la suite du décès en détention carcérale d’Abdul Latif, ancien procureur public (PP) du tribunal de Satkhira et avocat senior.

Abdul Latif a longtemps exercé dans la profession juridique en tant qu’avocat senior et ancien procureur public. À la suite du changement politique intervenu le 5 août 2024, plusieurs affaires de meurtre et de sabotage ont été engagées contre lui. Selon les membres de sa famille, ses collègues et des sources locales, ces affaires étaient politiquement motivées et fabriquées de toutes pièces. Bien qu’il soit resté caché pendant un certain temps afin d’éviter son arrestation, il a finalement été arrêté par la police dans la zone de Boyra à Khulna le 13 décembre 2025. Par la suite, il a été officiellement inculpé dans trois affaires de meurtre et envoyé en prison.

Le JMBF est profondément préoccupé par le fait qu’Abdul Latif soit resté détenu en prison sans procès pendant plus de cinq mois. Aucun progrès visible n’a été constaté dans la procédure judiciaire concernant les accusations portées contre lui. Détenir une personne pendant une longue période sans prouver les accusations et sans garantir une procédure judiciaire effective est contraire aux principes fondamentaux de la justice. Soumettre une personne à ce qui équivaut à une peine avant même l’achèvement du procès est incompatible avec les normes d’un système démocratique civilisé.

En tant qu’État partie au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP/ICCPR), le Bangladesh est tenu de garantir à chaque individu le droit à la vie, à la dignité humaine et à un procès équitable. En vertu des « Règles Nelson Mandela » des Nations Unies, l’État est responsable de garantir des conditions de détention humaines, des soins médicaux adéquats, un hébergement hygiénique et la sécurité des détenus. L’État ne peut se soustraire à sa responsabilité lorsqu’un prisonnier meurt en raison d’un manque de soins, de négligence ou de conditions inhumaines.

Selon les allégations formulées par les membres de sa famille et ses collègues, Abdul Latif vivait dans des conditions carcérales inhumaines, souffrant d’une nourriture de mauvaise qualité, d’installations sanitaires inadéquates, d’un environnement malsain, d’un hébergement inadapté et d’un manque de soins médicaux appropriés. Il est également allégué qu’un traitement médical efficace ne lui a pas été assuré en temps voulu, même après qu’il soit tombé gravement malade. Le décès d’une personne sous la garde de l’État soulève de sérieuses questions de responsabilité étatique et constitue une grave préoccupation en matière de droits civils et de droits humains.

Le JMBF estime que la culture des représailles politiques, des fausses affaires judiciaires et du harcèlement extrajudiciaire affaiblit l’État de droit et érode la confiance du public dans le système judiciaire. Priver des citoyens de leurs droits fondamentaux en raison de leur identité ou idéologie politique est contraire aux principes démocratiques et à la gouvernance constitutionnelle.

L’avocat Shahanur Islam, président fondateur de JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) et éminent défenseur des droits humains, a déclaré :
« Le décès de l’avocat senior Abdul Latif dans la prison de Satkhira n’est pas un incident isolé. Il s’inscrit plutôt dans une série continue d’événements depuis la chute du gouvernement de la Ligue Awami, au cours desquels des dirigeants et militants de la Ligue Awami ont été arrêtés dans de fausses affaires successives, détenus pendant des mois sans procès, puis victimes de décès en détention en raison d’une nourriture de mauvaise qualité, d’un assainissement insuffisant, de conditions carcérales insalubres, d’un hébergement inadéquat et de l’absence de soins médicaux appropriés. »
Il a ajouté :
« Le décès d’une personne en détention n’est pas seulement une tragédie personnelle ; il soulève une grave question de responsabilité de l’État et de la situation des droits humains dans le pays. L’État porte l’entière responsabilité de la vie et des soins médicaux des détenus. Par conséquent, tout décès résultant de négligence, de refus de traitement ou de conditions carcérales inhumaines est profondément alarmant et inacceptable. Le gouvernement doit prendre des mesures immédiates et efficaces à cet égard. »

Le JMBF appelle à la création immédiate d’une commission d’enquête indépendante, impartiale et judiciaire sur le décès d’Abdul Latif. Dans le même temps, le JMBF exhorte les autorités à identifier et à tenir responsables les personnes impliquées dans les défaillances liées à son traitement, à sa sécurité et à ses conditions de détention. En outre, le JMBF appelle à la mise en œuvre effective d’un mécanisme indépendant d’inspection des prisons conformément au Protocole facultatif à la Convention contre la torture (OPCAT).

Le JMBF exhorte fermement le gouvernement du Bangladesh à garantir la sécurité, les soins médicaux et des conditions humaines pour tous les prisonniers conformément aux normes internationales des droits humains. Le JMBF appelle également à des mesures efficaces pour mettre fin à la détention prolongée sans procès, aux poursuites politiquement motivées et à la culture plus large des violations des droits humains.

Enfin, le JMBF exige une indemnisation appropriée ainsi qu’un soutien psychosocial et une réhabilitation pour les membres de la famille de la victime.

En solidarité,

Mosammat Jannatul Ferdaus
Membre du Comité exécutif
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)

Locaux du CNB, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email : info@jmbf.org | Site web : www.jmbf.org

Faits en bref : Décès en détention de l’ancien procureur public (PP) du tribunal de Satkhira et avocat senior Abdul Latif

Abdul Latif, ancien procureur public (PP) du tribunal de Satkhira et avocat senior, est décédé alors qu’il était détenu en prison dans le cadre de trois affaires de meurtre. Dans la nuit du lundi 25 mai 2026, il serait tombé gravement malade. Vers 3h35 du matin, les autorités pénitentiaires l’ont admis à l’hôpital de Satkhira Sadar après qu’il se soit plaint de douleurs thoraciques. Il est décédé vers 4h00 du matin alors qu’il recevait des soins médicaux.

Les membres de sa famille et ses collègues ont affirmé que son décès était dû à la mauvaise qualité de la nourriture, à des installations sanitaires inadéquates, à un environnement carcéral insalubre, à des conditions de couchage inadaptées ainsi qu’à l’absence de soins médicaux appropriés en prison.

Abdul Latif était le fils de feu Monsur Sardar, originaire du village de Kamarbaisa dans le sous-district (Upazila) de Satkhira Sadar. Il occupait également le poste de président par intérim du Bangabandhu Awami Lawyers’ Council.

À la suite de la chute du gouvernement dirigé par la Ligue Awami le 5 août 2024, huit affaires de meurtre et de sabotage ont été déposées contre l’ancien procureur public. Après le dépôt de ces affaires, il se serait caché à Khulna afin d’éviter son arrestation.

Alors qu’il était en fuite, il a été arrêté par la police dans la zone de Boyra à Khulna le 13 décembre 2025. Par la suite, il a été officiellement inculpé dans trois affaires de meurtre et est resté détenu en prison sans procès pendant les cinq derniers mois.*************************************************** Copyright©JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2026. All rights reserved. JMBF is an independent, non-profit, and nonpartisan human rights organization registered in France under the Association Law of 1901 (Registration No. W931027714), dedicated to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.

No comments:

Post a Comment