Scroll down to read the English, বাংলা & Français versions of this Bangladesh Alert.
Paris, France | 11 August 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), a France-based international human rights organization, expresses its deep concern, strong condemnation, and protest over the killing of 20-year-old Bangladeshi citizen Tara Mia, who was shot dead by India’s Border Security Force (BSF) on 9 August at the Maguruli border in Kulaura Upazila, Moulvibazar.
According to reports published in various newspapers and information obtained by JMBF from its own reliable sources, during the early hours of 9 August 2026, Tara Mia, along with four to five other Bangladeshi nationals, crossed the Maguruli border and entered approximately 500 yards into Indian territory. At that time, a patrol team from the Maguruli camp of the BSF’s 199th Battalion opened fire, killing Tara Mia at the scene. His body was subsequently taken into the custody of the Indian authorities and handed over to his family in Bangladesh on 10 August following a flag meeting.
According to the Border Guard Bangladesh (BGB), Tara Mia was allegedly involved in smuggling, and a case had also been filed against him in Bangladesh. JMBF firmly believes that allegations of smuggling, unauthorized border crossing, or any other criminal offence against an individual do not provide legal justification for the extrajudicial killing of that person.
The information available to JMBF does not indicate that, at the time of the shooting, Tara Mia posed such an imminent and serious threat to the life or physical safety of any BSF member or any other person that the use of lethal force against him was strictly unavoidable.
In this context, JMBF considers the death of Tara Mia not merely a border killing, but an extrajudicial killing committed by a state security force, requiring a comprehensive, independent, and impartial investigation and effective accountability.
JMBF unequivocally declares that allegations of unauthorized border crossing or smuggling do not constitute a licence to shoot and kill anyone. If a suspected individual has committed an offence, it is the responsibility of the state to arrest that person, collect evidence, and bring them before an independent court for trial in accordance with due process of law. A border security force cannot simultaneously assume the roles of accuser, judge, and executioner.
Article 3 of the Universal Declaration of Human Rights (UDHR) recognizes everyone’s right to life, liberty, and security of person. Similarly, Article 6 of the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR)protects the inherent right to life and prohibits the arbitrary deprivation of life.
Furthermore, under the United Nations Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials, the intentional lethal use of firearms by law enforcement officials is permissible only when it is strictly unavoidable in order to protect life.
Therefore, even where allegations of unauthorized border crossing or smuggling exist, shooting and killing an individual in the absence of an imminent threat of death or serious physical harm raises grave concerns regarding a violation of the right to life.
JMBF notes with particular concern that this is not an isolated incident in the area. According to available information, on 12 June 2026, another 20-year-old Bangladeshi youth, Mujib Ali, was killed by BSF gunfire at the Dattagram border in Sharifpur Union of Kulaura. The killing of another 20-year-old Bangladeshi, Tara Mia, at the border of the same upazila less than two months later raises serious questions regarding the BSF’s use of lethal force along the Bangladesh–India border and the effectiveness of existing accountability mechanisms.
The Founder President of JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) and human rights lawyer Advocate Shahanur Islam stated:
“An allegation that a person crossed the border or was involved in smuggling does not give any security force a licence to shoot and kill that person. If there were allegations of criminal activity, he should have been arrested and brought before a court of law.”
He further stated:
“The border cannot be treated as a zone where extrajudicial killings are permissible. The BSF is neither the judge of allegations against an individual nor an authority empowered to carry out a death sentence. Tara Mia had the right to life, and respecting and protecting that right is an international human rights obligation of the Indian authorities.”
JMBF’s Demands
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) makes the following demands of the Government of India and the relevant authorities:
- An immediate, independent, impartial, effective, and transparent investigation into the extrajudicial killing of Tara Mia must be initiated under the supervision of the United Nations;
- The identities and roles of those who ordered the shooting and those directly involved in firing the shots must be determined through the investigation;
- The BSF members and relevant officials found responsible through the investigation must be held criminally accountable;
- Effective remedies and adequate compensation must be provided to the family of Tara Mia;
- The use of lethal weapons against unarmed persons, or persons who do not pose an imminent threat to life, along the Bangladesh–India border must be stopped;
- A policy of arresting suspected individuals and bringing them before the appropriate judicial authorities in accordance with due process of law must be effectively implemented at the border; and
- Independent investigations and effective accountability must be ensured in every incident involving the use of lethal force at the border.
JMBF simultaneously calls upon the Government of Bangladesh and the Ministry of Foreign Affairs not to limit their response to routine letters of protest or flag meetings, but to raise the extrajudicial killing of Tara Mia with the Government of India at the highest diplomatic level and to take effective and measurable steps to bring an end to border killings.
JMBF reminds both India and Bangladesh that the protection of the lives, human dignity, and fundamental human rights of people living along the border must constitute one of the foundations of friendly bilateral relations between the two countries.
In Solidarity,
Ms. Jannatul Ferdous
Assistant Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org
Facebook: jmbf23 | X: JusticeMakersBF | LinkedIn: jmbf23 | Instagram: justicemakersbf
বাংলাদেশ অ্যালার্ট: মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি তরুণ তারা মিয়ার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেএমবিএফ-এর গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা
প্যারিস, ফ্রান্স | ১১ আগস্ট ২০২৬: ফ্রান্সভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ), মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মাগুরুলি সীমান্তে গত ৯ আগস্ট ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে ২০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক তারা মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও জেএমবিএফ-এর নিজস্ব নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ৯ আগস্ট ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে তারা মিয়াসহ চার থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি মাগুরুলি সীমান্ত দিয়ে ভারতের প্রায় ৫০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় বিএসএফের ১৯৯ ব্যাটালিয়নের মাগুরুলি ক্যাম্পের একটি টহল দল গুলি চালালে তারা মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরবর্তীতে তাঁর মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ১০ আগস্ট পতাকা বৈঠকের পর বাংলাদেশে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, তারা মিয়া চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একটি মামলাও ছিল। জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চোরাচালান, অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম বা অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ তাঁকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করার বৈধতা দেয় না।
প্রাপ্ত তথ্যে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি যে, গুলিবর্ষণের মুহূর্তে তারা মিয়া বিএসএফ সদস্য বা অন্য কোনো ব্যক্তির জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তার প্রতি এমন আসন্ন গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছিলেন, যার ফলে তাঁকে লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী শক্তির ব্যবহার একান্ত অনিবার্য হয়ে পড়েছিল।
এই প্রেক্ষাপটে জেএমবিএফ তারা মিয়ার মৃত্যুকে কেবল একটি সীমান্ত হত্যা নয়; এটি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে সংঘটিত একটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, যার পূর্ণাঙ্গ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জবাবদিহি অপরিহার্য।
জেএমবিএফ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করছে যে, সীমান্ত অতিক্রম বা চোরাচালানের অভিযোগ কাউকে গুলি করে হত্যার লাইসেন্স নয়। একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি অপরাধ করে থাকলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাঁকে গ্রেপ্তার করা, তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং একটি স্বাধীন আদালতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার করা। সীমান্তরক্ষী বাহিনী একই সঙ্গে অভিযোগকারী, বিচারক এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী বাহিনীর ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে না।
সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের (ইউডিএইচআর) অনুচ্ছেদ ৩ প্রত্যেক মানুষের জীবন, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অধিকার স্বীকার করে। একইভাবে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি (আইসিসিপিআর)-এর অনুচ্ছেদ ৬ মানুষের সহজাত জীবনের অধিকার সুরক্ষিত করে এবং কাউকে স্বেচ্ছাচারীভাবে জীবন থেকে বঞ্চিত করা নিষিদ্ধ করে।
তাছাড়া, জাতিসংঘের বেসিক প্রিন্সিপলস অন দ্য ইউজ অব ফোর্স অ্যান্ড ফায়ারআর্মস বাই ল এনফোর্সমেন্ট অফিসিয়ালসঅনুসারে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্রের ইচ্ছাকৃত প্রাণঘাতী ব্যবহার কেবল তখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যখন জীবন রক্ষার জন্য তা কঠোরভাবে অনিবার্য।
অতএব, সীমান্ত অতিক্রম কিংবা চোরাচালানের অভিযোগ থাকলেও, কোনো আসন্ন প্রাণঘাতী বা গুরুতর শারীরিক হুমকির অনুপস্থিতিতে একজন ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা জীবনের অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘনের প্রশ্ন সৃষ্টি করে।
জেএমবিএফ বিশেষ উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করছে যে, এটি ওই এলাকায় বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১২ জুন ২০২৬ কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২০ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণ মুজিব আলী নিহত হন। এর দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে একই উপজেলার সীমান্তে আবার ২০ বছর বয়সী তারা মিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের প্রাণঘাতী শক্তির ব্যবহার এবং জবাবদিহির কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে।
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানুর ইসলাম বলেন:
“একজন ব্যক্তি সীমান্ত অতিক্রম করেছেন বা চোরাচালানে জড়িত, এমন অভিযোগ কোনো নিরাপত্তা বাহিনীকে তাঁকে গুলি করে হত্যা করার লাইসেন্স দেয় না। অপরাধের অভিযোগ থাকলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা উচিত ছিল।”
তিনি আরও বলেন:
“সীমান্ত কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যার বৈধ অঞ্চল হতে পারে না। বিএসএফ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচারক বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী বাহিনী নয়। তারা মিয়ার জীবনের অধিকার ছিল এবং সেই অধিকারকে সম্মান করা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আন্তর্জাতিক মানবাধিকারগত বাধ্যবাধকতা।”
জেএমবিএফ-এর দাবি
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) ভারত সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নিম্নলিখিত দাবি জানাচ্ছে:
১. তারা মিয়ার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অবিলম্বে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, কার্যকর ও স্বচ্ছ তদন্ত শুরু করতে হবে;২. গুলিবর্ষণের নির্দেশ প্রদানকারী এবং সরাসরি গুলি চালানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে;৩. তদন্তে প্রাপ্ত দায়ী বিএসএফ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ফৌজদারি জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে;৪. নিহত তারা মিয়ার পরিবারকে কার্যকর প্রতিকার এবং যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে;৫. বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিরস্ত্র বা জীবনহানির আসন্ন হুমকি সৃষ্টি না করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে;৬. সীমান্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও আইনসম্মত বিচারিক প্রক্রিয়ায় সোপর্দ করার নীতি কার্যকর করতে হবে; এবং৭. সীমান্তে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের প্রতিটি ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
জেএমবিএফ একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি শুধু নিয়মিত প্রতিবাদপত্র বা পতাকা বৈঠকের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সীমাবদ্ধ না রেখে ভারতের সঙ্গে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক পর্যায়ে তারা মিয়ার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি উত্থাপন এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ও পরিমাপযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।
জেএমবিএফ ভারত ও বাংলাদেশ—উভয় রাষ্ট্রকে স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে, বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হওয়া উচিত সীমান্তবর্তী মানুষের জীবন, মানবিক মর্যাদা ও মৌলিক মানবাধিকারের সুরক্ষা।
শুভেচ্ছাসহ—
মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
সহকারী মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড উসমান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org | ওয়েবসাইট: www.jmbf.org
ফেসবুক: jmbf23 | এক্স: JusticeMakersBF | লিংকডইন: jmbf23 | ইনস্টাগ্রাম: justicemakersbf
ALERTE BANGLADESH : JMBF exprime sa profonde préoccupation face à l’exécution extrajudiciaire du jeune Bangladais Tara Mia par des tirs des BSF à la frontière de Moulvibazar
Paris, France | 11 août 2026 : JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), une organisation internationale de défense des droits humains basée en France, exprime sa profonde préoccupation, sa ferme condamnation et sa protestation face à la mort de Tara Mia, un citoyen bangladais âgé de 20 ans, abattu par les forces indiennes de sécurité aux frontières (Border Security Force – BSF) le 9 août à la frontière de Maguruli, dans l’upazila de Kulaura, district de Moulvibazar.
Selon des informations publiées dans plusieurs journaux ainsi que des renseignements obtenus par JMBF auprès de ses propres sources fiables, aux premières heures du 9 août 2026, Tara Mia, accompagné de quatre à cinq autres ressortissants bangladais, a franchi la frontière de Maguruli et pénétré à environ 500 yards à l’intérieur du territoire indien. À ce moment-là, une patrouille du 199ᵉ bataillon des BSF, basée au camp de Maguruli, a ouvert le feu, tuant Tara Mia sur place. Son corps a ensuite été placé sous la garde des autorités indiennes avant d’être remis à sa famille au Bangladesh le 10 août, à la suite d’une réunion entre les autorités frontalières des deux pays.
Selon les gardes-frontières du Bangladesh (Border Guard Bangladesh – BGB), Tara Mia aurait été impliqué dans des activités de contrebande et faisait également l’objet d’une procédure judiciaire au Bangladesh. JMBF estime fermement que des allégations de contrebande, de franchissement non autorisé d’une frontière ou de toute autre infraction pénale ne sauraient en aucun cas constituer une justification légale à l’exécution extrajudiciaire d’une personne.
Les informations dont dispose JMBF n’indiquent pas qu’au moment des tirs, Tara Mia représentait une menace imminente et grave pour la vie ou l’intégrité physique d’un membre des BSF ou de toute autre personne, de nature à rendre strictement inévitable le recours à la force létale contre lui.
Dans ce contexte, JMBF considère la mort de Tara Mia non pas comme un simple incident meurtrier à la frontière, mais comme une exécution extrajudiciaire commise par une force de sécurité étatique, nécessitant une enquête complète, indépendante et impartiale ainsi qu’une véritable obligation de rendre des comptes.
JMBF déclare sans équivoque que des allégations de franchissement non autorisé de la frontière ou de contrebande ne constituent en aucun cas un permis de tirer et de tuer. Lorsqu’une personne soupçonnée a commis une infraction, il incombe à l’État de l’arrêter, de recueillir les éléments de preuve et de la traduire devant un tribunal indépendant afin qu’elle soit jugée dans le respect des garanties d’une procédure régulière. Une force de sécurité frontalière ne peut simultanément assumer les rôles d’accusateur, de juge et d’exécuteur.
L’article 3 de la Déclaration universelle des droits de l’homme (DUDH) reconnaît à toute personne le droit à la vie, à la liberté et à la sûreté de sa personne. De même, l’article 6 du Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP) protège le droit inhérent à la vie et interdit toute privation arbitraire de la vie.
En outre, conformément aux Principes de base des Nations Unies sur le recours à la force et l’utilisation des armes à feu par les responsables de l’application des lois, l’usage intentionnel d’armes à feu entraînant la mort par des agents chargés de l’application des lois n’est admissible que lorsqu’il est strictement inévitable pour protéger une vie.
Par conséquent, même lorsqu’il existe des allégations de franchissement non autorisé d’une frontière ou de contrebande, le fait de tirer sur une personne et de la tuer en l’absence d’une menace imminente de mort ou de blessures graves soulève de graves préoccupations quant à une violation du droit à la vie.
JMBF constate avec une préoccupation particulière qu’il ne s’agit pas d’un incident isolé dans cette région. Selon les informations disponibles, le 12 juin 2026, un autre jeune Bangladais de 20 ans, Mujib Ali, a été tué par des tirs des BSF à la frontière de Dattagram, dans l’Union de Sharifpur, à Kulaura. Moins de deux mois plus tard, la mort d’un autre Bangladais de 20 ans, Tara Mia, à la frontière du même upazila soulève de sérieuses questions concernant le recours à la force létale par les BSF le long de la frontière entre le Bangladesh et l’Inde ainsi que l’efficacité des mécanismes existants de responsabilisation.
Le président fondateur de JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) et avocat spécialisé dans la défense des droits humains, Maître Shahanur Islam, a déclaré :
« Le fait qu’une personne soit accusée d’avoir franchi la frontière ou d’avoir participé à des activités de contrebande ne donne à aucune force de sécurité le droit de lui tirer dessus et de la tuer. S’il existait des accusations d’activités criminelles à son encontre, elle aurait dû être arrêtée et traduite devant un tribunal. »
Il a ajouté :
« La frontière ne peut être considérée comme une zone où les exécutions extrajudiciaires seraient permises. Les BSF ne sont ni le juge chargé de statuer sur les accusations portées contre une personne ni une autorité habilitée à exécuter une peine de mort. Tara Mia avait droit à la vie, et le respect ainsi que la protection de ce droit constituent une obligation internationale des autorités indiennes en matière de droits humains. »
Les demandes de JMBF
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) formule les demandes suivantes au Gouvernement indien et aux autorités compétentes :
- Une enquête immédiate, indépendante, impartiale, effective et transparente sur l’exécution extrajudiciaire de Tara Mia doit être ouverte sous la supervision des Nations Unies ;
- L’enquête doit déterminer l’identité et le rôle des personnes ayant ordonné les tirs ainsi que de celles directement impliquées dans leur exécution ;
- Les membres des BSF et les responsables concernés dont la responsabilité aura été établie par l’enquête doivent être tenus pénalement responsables ;
- Des recours effectifs ainsi qu’une indemnisation adéquate doivent être accordés à la famille de Tara Mia ;
- L’utilisation d’armes létales contre des personnes non armées ou ne représentant pas une menace imminente pour la vie doit cesser le long de la frontière entre le Bangladesh et l’Inde ;
- Une politique visant à arrêter les personnes suspectées et à les présenter aux autorités judiciaires compétentes dans le respect des garanties d’une procédure régulière doit être effectivement mise en œuvre à la frontière ; et
- Des enquêtes indépendantes et une véritable obligation de rendre des comptes doivent être garanties pour chaque incident impliquant le recours à la force létale à la frontière.
JMBF appelle parallèlement le Gouvernement du Bangladesh et le ministère des Affaires étrangères à ne pas limiter leur réponse à de simples lettres de protestation ou à des réunions de routine entre les autorités frontalières, mais à soulever la question de l’exécution extrajudiciaire de Tara Mia auprès du Gouvernement indien au plus haut niveau diplomatique et à prendre des mesures efficaces et mesurables afin de mettre fin aux morts à la frontière.
JMBF rappelle à l’Inde et au Bangladesh que la protection de la vie, de la dignité humaine et des droits fondamentaux des populations vivant le long de la frontière doit constituer l’un des fondements des relations bilatérales amicales entre les deux pays.
En solidarité,
Mme Jannatul Ferdous
Secrétaire générale adjointe
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
Locaux de la CNB, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
E-mail : info@jmbf.org | Site web : www.jmbf.org
Facebook : jmbf23 | X : JusticeMakersBF | LinkedIn : jmbf23 | Instagram : justicemakersbf
***************************************************
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) is an independent, non-profit, non-partisan international human rights organization registered in France under the French Association Law of 1901 (Registration No. W931027714), committed to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond. JMBF is officially registered in the European Union Transparency Register (REG No. 0635235105176-78).

No comments:
Post a Comment