For the Bengali and French versions of this alert, please scroll down.
Paris, France | 20 July 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), a France-based international human rights organization, expresses its deep concern and strongly condemns the bulldozing, looting, and arson attack carried out on the night of 17 July against the residence of Kazi Mizanur Rahman (Lovlu), President of the Madhabkhali Union Awami League and former Chairman of the Madhabkhali Union Parishad in Mirzaganj Upazila, Patuakhali, allegedly solely because of his political affiliation.
JMBF believes that this incident constitutes a clear violation of the Constitution of Bangladesh and international human rights law. Accordingly, JMBF calls for an independent, impartial, transparent, and credible investigation under the direct supervision of international human rights experts to identify those responsible and ensure their prompt prosecution in accordance with the law.
According to reports published in various media outlets and information obtained from JMBF's reliable sources, on the night of 17 July, a group of individuals, allegedly led by the brother of the local Member of Parliament from the ruling Bangladesh Nationalist Party (BNP), carried out a coordinated attack on the residence. According to the information received, the attackers demolished the house using a bulldozer, looted valuable belongings, and subsequently set the house on fire, completely destroying it. Furthermore, despite the presence of two police outposts in close proximity to the scene, no effective measures were reportedly taken to prevent the attack. JMBF considers this incident to be deeply alarming and wholly unacceptable, as it undermines the rule of law, human rights, and democratic governance.
JMBF firmly believes that no individual or group should be subjected to the destruction of their home, the looting of their property, or arson solely because of their political identity, ideology, or past political affiliation, without due process of law. Such acts constitute not only an attack on private property but also a direct assault on the rule of law, justice, and fundamental human rights.
These actions are in clear violation of the Constitution of Bangladesh, including Article 27, which guarantees equality before the law; Article 31, which guarantees the right to the protection of the law; Article 32, which protects the right to life and personal liberty; Article 37, which guarantees the right to peaceful assembly; Article 38, which guarantees freedom of association; Article 39, which guarantees freedom of thought, conscience, and expression; and Article 42, which recognizes the right to property.
The incident is also inconsistent with the Universal Declaration of Human Rights (UDHR), including Article 3 (the right to life, liberty, and security of person), Article 8 (the right to an effective remedy), Article 12 (protection against arbitrary interference with privacy, family, and home), Article 17 (the right to own property), Article 19 (freedom of opinion and expression), and Article 20 (the right to peaceful assembly and association).
Furthermore, such acts are incompatible with Bangladesh's international human rights obligations under the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR) and the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights (ICESCR).
Of particular concern is the allegation that, despite the presence of police outposts near the scene, no effective measures were taken to prevent the attack. If established, this would indicate a serious failure on the part of the law enforcement authorities to discharge their duties, underscoring the urgent need for an independent and impartial investigation.
Advocate Shahanur Islam, Founder President of JMBF and a distinguished human rights lawyer, stated:
"Political differences or changes in political power can never justify violence, looting, arson, or the destruction of private property under any circumstances. In a democratic state, safeguarding the life, security, dignity, and property of every citizen is both a constitutional and an international legal obligation of the State. However, since the previous interim government assumed office, a continuing pattern of killings, arbitrary arrests, attacks on homes and business establishments, vandalism, looting, and arson targeting leaders and activists of the Bangladesh Awami League has persisted. This continuing trend is deeply alarming and must be brought to an immediate end."
JMBF calls upon the Government of Bangladesh to:
- Ensure an immediate, independent, impartial, transparent, and credible judicial or high-level investigation into the incident under the direct supervision of international human rights experts.
- Take prompt and effective legal action against the individuals named in the allegations, as well as any other persons found responsible, regardless of their political affiliation.
- Provide adequate security to the victim's family, conduct a comprehensive assessment of the damage, and ensure effective compensation and rehabilitation.
- Take visible and effective measures to prevent political reprisals, mob violence, unlawful occupation, looting, arson, and all forms of extrajudicial retaliatory acts.
- Ensure the accountability of law enforcement agencies to prevent the recurrence of such incidents and initiate appropriate legal action against any officials whose negligence is established.
- Guarantee, without discrimination, the constitutional right of all citizens, regardless of political affiliation, to engage in peaceful political activities.
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) reiterates that the establishment of human rights, the rule of law, and an accountable justice system, without discrimination for all citizens in Bangladesh, is the only path toward ensuring sustainable peace, democracy, and justice.
Thank you.
বাংলাদেশ অ্যালার্টঃ পটুয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে বুলডোজার দিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)-এর তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ
প্যারিস, ফ্রান্স | ২০ জুলাই ২০২৬ঃ শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান (লাভলু)-এর বসতবাড়িতে গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে সংঘটিত বুলডোজার দিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ফ্রান্সভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
একই সঙ্গে, জেএমবিএফ মনে করে যে, ঘটনাটি বাংলাদেশ সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রচলিত আইনের আওতায় দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছে জেএমবিএফ।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং জেএমবিএফ-এর নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে বর্তমান সরকারদলীয় বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাইয়ের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী সংঘবদ্ধভাবে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা বুলডোজার দিয়ে বাড়িটি ভেঙে ফেলে, মূল্যবান মালামাল লুট করে এবং পরে অগ্নিসংযোগ করে পুরো বাড়িটি পুড়িয়ে দেয়। তাছাড়া, ঘটনাস্থলের অদূরেই পুলিশের দুটি ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও হামলা প্রতিরোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ঘটনাটি আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে জেএমবিএফ মনে করে।
জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা অতীত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে বিচারবহির্ভূতভাবে তাঁর বাড়িঘর ধ্বংস, সম্পত্তি লুট বা অগ্নিসংযোগের শিকার হতে পারেন না। এটি শুধু ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর হামলাই নয়; বরং আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং মৌলিক মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত।
এই ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আইনের দৃষ্টিতে সমতার নীতি, ৩১ অনুচ্ছেদে নিশ্চিত আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, ৩২ অনুচ্ছেদে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অধিকার, ৩৭ অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার, ৩৮ অনুচ্ছেদে সংগঠন করার অধিকার, ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক্স্বাধীনতার অধিকার এবং ৪২ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত সম্পত্তির অধিকারের সুস্পষ্ট পরিপন্থী।
একই সঙ্গে, এ ধরনের ঘটনা সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights – UDHR)-এর ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত জীবন, স্বাধীনতা ও ব্যক্তির নিরাপত্তার অধিকার, ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে কার্যকর প্রতিকারের অধিকার, ১২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ও বাসস্থানে অবৈধ হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষার অধিকার, ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকার, ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ২০ নম্বর অনুচ্ছেদে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠন করার অধিকারের পরিপন্থী।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি (ICCPR) এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি (ICESCR) অনুযায়ী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতার সঙ্গেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশেষভাবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনাস্থলের নিকটেই পুলিশের ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও হামলা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, যা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনে গুরুতর ব্যর্থতার ইঙ্গিত বহন করে এবং এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন,
"শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা ক্ষমতার পরিবর্তন কোনো অবস্থাতেই সহিংসতা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি ধ্বংসের বৈধতা দিতে পারে না। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিটি নাগরিকের জীবন, নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক আইনি দায়িত্ব। কিন্তু বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা, স্বেচ্ছাচারী আটক, বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের যে ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল, তা বর্তমান সময়েও অব্যাহত রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।"
জেএমবিএফ বাংলাদেশ সরকারের প্রতি নিম্নোক্ত আহ্বান জানাচ্ছে:
১. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঘটনার অবিলম্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার বিভাগীয় বা উচ্চপর্যায়ের তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।
২. অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তি বা অন্য যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের আওতায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩. ভুক্তভোগী পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদান, ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ মূল্যায়ন এবং কার্যকর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, গণপিটুনি, দখল, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং বিচারবহির্ভূত প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৫. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৬. সকল রাজনৈতিক দল ও মতের নাগরিকদের জন্য বৈষম্যহীনভাবে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) পুনর্ব্যক্ত করছে যে, বাংলাদেশে সকল নাগরিকের জন্য বৈষম্যহীনভাবে মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিমূলক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই টেকসই শান্তি, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একমাত্র পথ।
ধন্যবাদান্তে,
ALERTE BANGLADESH : La JMBF condamne fermement la démolition au bulldozer, le pillage et l'incendie criminel de la maison d'un dirigeant de la Ligue Awami à Patuakhali
Paris, France | 20 juillet 2026 : JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), une organisation internationale de défense des droits humains basée en France, exprime sa profonde préoccupation et condamne avec la plus grande fermeté la démolition au bulldozer, le pillage et l'incendie criminel perpétrés dans la nuit du 17 juillet contre la résidence de Kazi Mizanur Rahman (Lovlu), président de la Ligue Awami de l'Union de Madhabkhali et ancien président du Conseil de l'Union de Madhabkhali dans l'Upazila de Mirzaganj, district de Patuakhali, prétendument uniquement en raison de son affiliation politique.
La JMBF estime que cet incident constitue une violation manifeste de la Constitution du Bangladesh et du droit international des droits de l'homme. En conséquence, la JMBF demande l'ouverture d'une enquête indépendante, impartiale, transparente et crédible, placée sous la supervision directe d'experts internationaux en droits humains, afin d'identifier les responsables et d'assurer leur poursuite rapide conformément à la loi.
Selon les informations publiées par différents médias ainsi que les renseignements obtenus par les sources fiables de la JMBF, dans la nuit du 17 juillet, un groupe d'individus, prétendument dirigé par le frère du député local du Parti nationaliste du Bangladesh (BNP), au pouvoir, a mené une attaque coordonnée contre cette résidence. Selon les informations reçues, les assaillants ont démoli la maison à l'aide d'un bulldozer, pillé les biens de valeur, puis y ont mis le feu, détruisant entièrement l'habitation. En outre, malgré la présence de deux postes de police à proximité immédiate des lieux, aucune mesure efficace n'aurait été prise pour empêcher cette attaque. La JMBF considère cet incident comme profondément alarmant et totalement inacceptable, car il porte atteinte à l'État de droit, aux droits humains et à la gouvernance démocratique.
La JMBF est fermement convaincue qu'aucun individu ni aucun groupe ne doit être soumis à la destruction de son domicile, au pillage de ses biens ou à un incendie criminel uniquement en raison de son identité politique, de son idéologie ou de son ancienne affiliation politique, en dehors de toute procédure légale régulière. De tels actes constituent non seulement une atteinte à la propriété privée, mais également une attaque directe contre l'État de droit, la justice et les droits fondamentaux de la personne.
Ces actes constituent une violation manifeste de la Constitution du Bangladesh, notamment de l'article 27, qui garantit l'égalité devant la loi ; de l'article 31, qui garantit le droit à la protection de la loi ; de l'article 32, qui protège le droit à la vie et à la liberté individuelle ; de l'article 37, qui garantit le droit de réunion pacifique ; de l'article 38, qui garantit la liberté d'association ; de l'article 39, qui garantit la liberté de pensée, de conscience et d'expression ; ainsi que de l'article 42, qui reconnaît le droit à la propriété.
Cet incident est également incompatible avec la Déclaration universelle des droits de l'homme (DUDH), notamment avec l'article 3 (le droit à la vie, à la liberté et à la sûreté de la personne), l'article 8 (le droit à un recours effectif), l'article 12 (la protection contre les ingérences arbitraires dans la vie privée, la famille et le domicile), l'article 17 (le droit de posséder des biens), l'article 19 (la liberté d'opinion et d'expression) et l'article 20 (le droit à la liberté de réunion et d'association pacifiques).
En outre, de tels actes sont incompatibles avec les obligations internationales du Bangladesh en matière de droits humains au titre du Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP) ainsi que du Pacte international relatif aux droits économiques, sociaux et culturels (PIDESC).
La JMBF est particulièrement préoccupée par les allégations selon lesquelles, malgré la présence de postes de police à proximité des lieux, aucune mesure efficace n'aurait été prise pour empêcher l'attaque. Si ces faits sont établis, ils révéleraient une grave défaillance des autorités chargées de l'application de la loi dans l'exercice de leurs fonctions, soulignant ainsi la nécessité urgente d'une enquête indépendante et impartiale.
Maître Shahanur Islam, président fondateur de la JMBF et éminent avocat spécialisé en droits humains, a déclaré :
« Les divergences politiques ou les changements de pouvoir politique ne peuvent en aucun cas justifier la violence, le pillage, les incendies criminels ou la destruction de biens privés. Dans un État démocratique, la protection de la vie, de la sécurité, de la dignité et des biens de chaque citoyen constitue à la fois une obligation constitutionnelle et une obligation découlant du droit international pour l'État. Cependant, depuis l'entrée en fonction du précédent gouvernement intérimaire, un schéma continu d'assassinats, d'arrestations arbitraires, d'attaques contre des domiciles et des établissements commerciaux, de vandalisme, de pillages et d'incendies criminels visant des dirigeants et des militants de la Ligue Awami du Bangladesh s'est poursuivi. Cette tendance persistante est profondément préoccupante et doit cesser immédiatement. »
La JMBF appelle le Gouvernement du Bangladesh à :
- Garantir une enquête judiciaire ou de haut niveau immédiate, indépendante, impartiale, transparente et crédible sur cet incident, sous la supervision directe d'experts internationaux en droits humains.
- Prendre sans délai des mesures judiciaires efficaces contre les personnes nommément mises en cause dans les allégations, ainsi que contre toute autre personne reconnue responsable, quelle que soit son affiliation politique.
- Assurer une protection adéquate à la famille de la victime, procéder à une évaluation complète des dommages et garantir une indemnisation ainsi qu'une réhabilitation effectives.
- Prendre des mesures visibles et efficaces pour prévenir les représailles politiques, les violences de foule, les occupations illégales, les pillages, les incendies criminels et toute forme d'actes de représailles extrajudiciaires.
- Garantir la responsabilité des forces de l'ordre afin d'empêcher la répétition de tels incidents et engager des poursuites appropriées contre tout agent dont la négligence serait établie.
- Garantir, sans discrimination, le droit constitutionnel de tous les citoyens, indépendamment de leur affiliation politique, de participer à des activités politiques pacifiques.
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) réaffirme que l'établissement des droits humains, de l'État de droit et d'un système judiciaire responsable, sans discrimination envers tous les citoyens du Bangladesh, constitue la seule voie permettant d'assurer une paix durable, la démocratie et la justice.
Merci.

No comments:
Post a Comment