Loading latest headlines...

June 28, 2026

BANGLADESH ALERT: JMBF Calls for Independent Investigation into Female Garment Worker’s Death and Police Violence in Gazipur

Paris, France | 28 June 2026:
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its profound concern, strong condemnation, and outrage over the baton charge, the deployment of sound grenades, and the excessive use of force by the Industrial Police against peacefully assembled garment workers in Tepirbari, Sreepur Upazila, Gazipur, following the death of a female garment worker, leaving at least 12 workers injured on 27 June 2026.

According to reports published by various media outlets and information obtained from JMBF's own reliable sources, Ms. Liza Begum (35), a sewing operator at Color & Company Limited, died on the night of 24 June 2026. Despite being seriously ill, she was allegedly denied leave and compelled to continue working until she collapsed and died while on duty. She was the daughter of Ashraf Ali from Huglabania Village in Nazirpur Upazila, Pirojpur District.

JMBF firmly believes that the reported denial of leave to Ms. Liza Begum despite her serious illness, together with the allegation that she was compelled to continue working until she collapsed and died while on duty, constitutes a grave violation of her rights to life, health, and dignity, as well as serious breaches of Bangladesh's labour laws and internationally recognized labour standards.

Following her death, a large number of workers gathered peacefully on the morning of 27 June 2026 in front of Color & Company Limited to attend a memorial prayer (Milad Mahfil) in her honour and to demand justice. As tensions escalated and workers attempted to block the road, the Industrial Police forcibly intervened.

According to reports, the police deployed sound grenades on three occasions and carried out a baton charge against the workers, injuring at least 12 people. Several of the injured received medical treatment at local hospitals.

JMBF firmly believes that the use of force against workers seeking justice for the death of their colleague is unacceptable in any democratic society. Rather than ensuring an impartial investigation into what appears to have been a preventable workplace death, the authorities resorted to force against protesting workers. Such actions create a climate of fear and undermine workers' constitutional and internationally protected rights to seek justice and peacefully express their grievances.

JMBF recalls that Article 32 of the Constitution of Bangladesh guarantees every citizen the right to life and personal liberty. The reported denial of leave to a seriously ill worker, together with the allegation that she was compelled to continue working until her death, constitutes a serious violation of this constitutional guarantee.

Furthermore, Article 37 of the Constitution guarantees the right to peaceful and unarmed assembly. The reported baton charge and use of force against workers who had gathered peacefully to commemorate their deceased colleague and demand justice appear to be inconsistent with this constitutional protection.

Bangladesh is also a State Party to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR), under which Article 6 protects the right to life, Article 21 guarantees the right to peaceful assembly, and Article 22 protects freedom of association.

In addition, Bangladesh is a State Party to the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights (ICESCR), whose Article 7 recognizes the right to just, favourable, safe, and healthy working conditions, while Article 12 recognizes everyone's right to the highest attainable standard of physical and mental health.

As a Member State of the International Labour Organization (ILO), Bangladesh is also obliged to uphold the principles embodied in ILO Convention No. 87 (Freedom of Association and Protection of the Right to Organise Convention, 1948) and ILO Convention No. 98 (Right to Organise and Collective Bargaining Convention, 1949), which protect workers' rights to organize, peacefully advocate for their interests, and engage in collective action without intimidation or retaliation.
JMBF further recalls that the United Nations Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials (1990) require law enforcement authorities to use force only when strictly necessary and in accordance with the principles of legality, necessity, proportionality, and accountability. Any unnecessary or excessive use of force against peaceful workers is incompatible with international human rights standards.

JMBF Founder President and prominent human rights lawyer, Advocate Shahanur Islam, stated:
"The repeated use of force against workers demanding safe working conditions, labour rights, and justice has become an alarming pattern in Bangladesh and is completely unacceptable. If this trend continues, it will not only undermine the rule of law but also seriously call into question Bangladesh's commitment to its international human rights and labour obligations."
JMBF Calls on the Government of Bangladesh to:
  1. Establish an independent, impartial, transparent, and credible judicial commission of inquiry, headed by a Judge of the High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh, to investigate the death of Ms. Liza Begum and ensure that all individuals and institutions responsible are held accountable.
  2. Conduct an independent investigation into the Industrial Police's baton charge, the deployment of sound grenades, and the alleged excessive use of force, and bring all responsible law enforcement officials to justice.
  3. Ensure free medical treatment, adequate compensation, and necessary rehabilitation for all injured workers.
  4. Provide adequate compensation, legal assistance, and long-term social protection to the family of Ms. Liza Begum.
  5. Immediately conduct an independent inspection of Color & Company Limited to assess its compliance with labour laws, occupational health and safety standards, and workers' welfare requirements, and take legal action against those responsible if negligence or violations are established.
  6. Respect and protect workers' rights to peaceful assembly, freedom of expression, and freedom of association, and prioritize dialogue, mediation, and the rule of law over the use of force in addressing labour disputes.
JMBF calls upon the Government of Bangladesh, the relevant law enforcement authorities, the management of Color & Company Limited, the International Labour Organization (ILO), relevant United Nations Special Rapporteurs, and the international human rights community to ensure a prompt, impartial, independent, and effective investigation into this incident.

The lives, safety, dignity, and fundamental rights of garment workers—who constitute the backbone of Bangladesh's economy—must be fully protected. Upholding these rights is not only a constitutional obligation but also a binding commitment under international human rights and labour law. Failure to fulfil these obligations is unacceptable in a democratic society.

In Solidarity,


Ms. Jannatul Ferdous
Assistant Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises
180 Boulevard Haussmann
75008 Paris, France
Website: www.jmbf.org

বাংলাদেশ অ্যালার্ট: নারী পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গাজীপুরে পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ১২ শ্রমিক আহত— জেএমবিএফ-এর স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের দাবি

প্যারিস, ফ্রান্স | ২৮ জুন ২০২৬: জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী এলাকায় এক নারী পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত শ্রমিকদের ওপর শিল্প পুলিশের লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং বলপ্রয়োগের ঘটনায় অন্তত ১২ জন পোশাক শ্রমিক আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং জেএমবিএফ-এর নিজস্ব নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ জুন দিবাগত রাতে কালার অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড-এর সেলাই অপারেটর লিজা বেগম (৩৫) অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও ছুটি না পেয়ে কর্মরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার হুগলাবানিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, অসুস্থ অবস্থায়ও তাকে কর্মস্থলে কাজ করতে বাধ্য করা হয়, যা শ্রমিকের জীবন, স্বাস্থ্য ও মর্যাদার প্রতি চরম অবহেলা এবং শ্রম আইন ও আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ডের গুরুতর লঙ্ঘন।

লিজা বেগমের মৃত্যুর পর তাঁর স্মরণে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে ২৭ জুন শনিবার সকালে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কারখানার সামনে সমবেত হন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এ সময় শিল্প পুলিশ তাদের বলপূর্বক বাধা প্রদান করে। সে সময় শিল্প পুলিশ তিন দফা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এবং নির্বিচারে লাঠিচার্জ চালায়। এতে অন্তত ১২ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে তাদের ওপর বলপ্রয়োগ কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একজন শ্রমিকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার পরিবর্তে প্রতিবাদকারী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এ ধরনের পদক্ষেপ শ্রমিকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে এবং ন্যায়বিচার দাবি করার সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে।

জেএমবিএফ স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিকের জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করেছে। অসুস্থ অবস্থায় একজন শ্রমিককে কাজে বাধ্য করার অভিযোগ এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু সাংবিধানিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘনের শামিল। একইভাবে সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্রভাবে সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করেছে। মৃত সহকর্মীর স্মরণে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে সমবেত শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগ এই অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত চুক্তি (ICCPR)-এর রাষ্ট্রপক্ষ। এই চুক্তির ধারা ৬ জীবনের অধিকার, ধারা ২১ শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার এবং ধারা ২২ সংগঠন গঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সম্পর্কিত চুক্তি (ICESCR)-এর রাষ্ট্রপক্ষ, যার ধারা ৭ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশের অধিকার এবং ধারা ১২ সর্বোচ্চ অর্জনযোগ্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উপভোগের অধিকার নিশ্চিত করে।

এছাড়া বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে Convention No. 87 (Freedom of Association and Protection of the Right to Organise) এবং Convention No. 98 (Right to Organise and Collective Bargaining)-এর মৌলিক নীতিমালা অনুসরণে বাধ্য। শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়া, শান্তিপূর্ণভাবে দাবি উত্থাপন এবং প্রতিশোধ বা ভয়ভীতি ছাড়াই তাদের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও নিয়োগকর্তার দায়িত্ব।

জেএমবিএফ আরও স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে, জাতিসংঘের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বলপ্রয়োগ ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মৌলিক নীতিমালা (UN Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials, 1990) অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবলমাত্র একান্ত প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে এবং বৈধতা (Legality), প্রয়োজনীয়তা (Necessity), আনুপাতিকতা (Proportionality) ও জবাবদিহিতা (Accountability)-এর নীতির আলোকে বলপ্রয়োগ করতে পারে। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।

জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন, 
"বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রম অধিকার আদায়ের আন্দোলনের জবাবে বারবার বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা শুধু আইনের শাসনকেই দুর্বল করবে না, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার বিষয়ক অঙ্গীকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে।"
জেএমবিএফ-এর দাবি

১। লিজা বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতির নেতৃত্বে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২। শ্রমিকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত করে দায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

৩। আহত সকল শ্রমিকের বিনামূল্যে চিকিৎসা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং প্রয়োজনীয় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৪। লিজা বেগমের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ, আইনি সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

৫। সংশ্লিষ্ট কারখানায় শ্রম আইন, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং শ্রমিক কল্যাণ ব্যবস্থার ওপর অবিলম্বে একটি স্বাধীন পরিদর্শন পরিচালনা করতে হবে এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, মতপ্রকাশ এবং সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় বলপ্রয়োগের পরিবর্তে সংলাপ, মধ্যস্থতা ও আইনের শাসনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

জেএমবিএফ বাংলাদেশের সরকার, সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কারখানা কর্তৃপক্ষ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO), জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট বিশেষ প্রতিবেদক এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্প্রদায়ের প্রতি এই ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে। 
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের জীবন, নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আন্তর্জাতিক আইনগত বাধ্যবাধকতা। এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

শুভেচ্ছাসহ,

মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
সহকারী মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলেভার্ড হসমান,
৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ই-মেইল: info@jmbf.org
ওয়েবসাইট: www.jmbf.org

ALERTE BANGLADESH : Au moins 12 travailleurs du secteur de l’habillement blessés lors d’une charge policière à Gazipur après la mort d’une ouvrière ; la JMBF appelle à une enquête indépendante et à l’établissement des responsabilités

Paris, France | 28 juin 2026 :
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation, sa vive condamnation et son indignation face à la charge à la matraque, au lancement de grenades assourdissantes et au recours excessif à la force par la Police industrielle contre des travailleurs du secteur de l’habillement réunis pacifiquement à Tepirbari, dans le sous-district de Sreepur (district de Gazipur), à la suite du décès d’une ouvrière. Ces interventions ont fait au moins 12 blessés le 27 juin 2026.

Selon des informations publiées par plusieurs médias ainsi que des renseignements obtenus par les sources fiables de la JMBF, Mme Liza Begum (35 ans), opératrice de couture à Color & Company Limited, est décédée dans la nuit du 24 juin 2026. Bien qu’elle ait été gravement malade, elle se serait vu refuser un congé et aurait été contrainte de continuer à travailler jusqu’à ce qu’elle s’effondre et décède sur son lieu de travail. Elle était la fille de M. Ashraf Ali, originaire du village de Huglabania, dans le sous-district de Nazirpur, district de Pirojpur.

La JMBF estime fermement que le refus signalé d’accorder un congé à Mme Liza Begum malgré la gravité de son état de santé, conjugué aux allégations selon lesquelles elle aurait été contrainte de continuer à travailler jusqu’à son effondrement et à son décès sur son lieu de travail, constitue une grave violation de ses droits à la vie, à la santé et à la dignité, ainsi que de sérieuses violations de la législation du travail du Bangladesh et des normes internationales du travail reconnues.

À la suite de son décès, un grand nombre de travailleurs se sont rassemblés pacifiquement dans la matinée du 27 juin 2026 devant les locaux de Color & Company Limited afin de participer à une cérémonie commémorative (Milad Mahfil) en sa mémoire et de réclamer justice. Alors que les tensions s’intensifiaient et que les travailleurs tentaient de bloquer la route, la Police industrielle est intervenue par la force.

Selon les informations disponibles, la police a lancé des grenades assourdissantes à trois reprises et a procédé à une charge à la matraque contre les travailleurs, blessant au moins 12 personnes. Plusieurs blessés ont reçu des soins dans des hôpitaux locaux.

La JMBF considère fermement que le recours à la force contre des travailleurs réclamant justice pour le décès de leur collègue est inacceptable dans toute société démocratique. Au lieu de garantir une enquête impartiale sur ce qui semble être un décès évitable sur le lieu de travail, les autorités ont choisi de recourir à la force contre les travailleurs protestataires. De telles actions instaurent un climat de peur et portent atteinte aux droits constitutionnels et internationalement garantis des travailleurs de demander justice et d’exprimer pacifiquement leurs revendications.

La JMBF rappelle que l’article 32 de la Constitution du Bangladesh garantit à chaque citoyen le droit à la vie et à la liberté individuelle. Le refus signalé d’accorder un congé à une travailleuse gravement malade, conjugué aux allégations selon lesquelles elle aurait été contrainte de continuer à travailler jusqu’à son décès, constitue une violation grave de cette garantie constitutionnelle.

En outre, l’article 37 de la Constitution garantit le droit de réunion pacifique et sans armes. La charge policière et le recours à la force contre des travailleurs réunis pacifiquement pour rendre hommage à leur collègue décédée et demander justice semblent incompatibles avec cette protection constitutionnelle.

Le Bangladesh est également État partie au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP), dont l’article 6 protège le droit à la vie, l’article 21 garantit le droit de réunion pacifique et l’article 22 protège la liberté d’association.

Par ailleurs, le Bangladesh est État partie au Pacte international relatif aux droits économiques, sociaux et culturels (PIDESC), dont l’article 7 reconnaît le droit à des conditions de travail justes, favorables, sûres et salubres, tandis que l’article 12 reconnaît le droit de toute personne de jouir du meilleur état de santé physique et mentale possible.

En tant qu’État membre de l’Organisation internationale du Travail (OIT), le Bangladesh est également tenu de respecter les principes consacrés par la Convention n° 87 de l’OIT sur la liberté syndicale et la protection du droit syndical (1948) et la Convention n° 98 sur le droit d’organisation et de négociation collective (1949), qui protègent le droit des travailleurs à s’organiser, à défendre pacifiquement leurs intérêts et à mener des actions collectives sans intimidation ni représailles.

La JMBF rappelle également que les Principes de base des Nations Unies sur le recours à la force et l’utilisation des armes à feu par les responsables de l’application des lois (1990) exigent que les forces de l’ordre n’aient recours à la force qu’en cas de stricte nécessité et conformément aux principes de légalité, de nécessité, de proportionnalité et de responsabilité. Tout recours inutile ou excessif à la force contre des travailleurs pacifiques est incompatible avec les normes internationales relatives aux droits humains.

Le président fondateur de la JMBF et éminent avocat spécialisé dans les droits humains, Maître Shahanur Islam, a déclaré :
« Le recours répété à la force contre des travailleurs qui réclament des conditions de travail sûres, le respect de leurs droits et la justice est devenu une tendance alarmante au Bangladesh et est totalement inacceptable. Si cette pratique se poursuit, elle ne fera pas seulement reculer l’État de droit, mais remettra également sérieusement en cause les engagements internationaux du Bangladesh en matière de droits humains et de droits du travail. »
La JMBF appelle le Gouvernement du Bangladesh à :

1. Créer une commission d’enquête judiciaire indépendante, impartiale, transparente et crédible, présidée par un juge de la Haute Cour de la Cour suprême du Bangladesh, afin d’enquêter sur le décès de Mme Liza Begum et de veiller à ce que toutes les personnes et institutions responsables rendent compte de leurs actes.

2. Mener une enquête indépendante sur la charge policière, le lancement de grenades assourdissantes et les allégations de recours excessif à la force, et traduire en justice les responsables des forces de l’ordre concernés.

3. Garantir des soins médicaux gratuits, une indemnisation adéquate et les mesures de réadaptation nécessaires pour tous les travailleurs blessés.

4. Accorder une indemnisation appropriée, une assistance juridique et une protection sociale à long terme à la famille de Mme Liza Begum.

5. Procéder immédiatement à une inspection indépendante de Color & Company Limited afin d’évaluer le respect de la législation du travail, des normes de santé et de sécurité au travail ainsi que des exigences relatives au bien-être des travailleurs, et engager des poursuites contre les responsables en cas de négligence ou de violations établies.

6. Respecter et protéger les droits des travailleurs à la réunion pacifique, à la liberté d’expression et à la liberté d’association, et privilégier le dialogue, la médiation et l’État de droit plutôt que le recours à la force pour résoudre les conflits du travail.

La JMBF appelle le Gouvernement du Bangladesh, les autorités compétentes chargées de l’application de la loi, la direction de Color & Company Limited, l’Organisation internationale du Travail (OIT), les Rapporteurs spéciaux compétents des Nations Unies ainsi que la communauté internationale des droits humains à garantir une enquête rapide, impartiale, indépendante et efficace sur cet incident.

La vie, la sécurité, la dignité et les droits fondamentaux des travailleurs du secteur de l’habillement — qui constituent l’épine dorsale de l’économie du Bangladesh — doivent être pleinement protégés. Le respect de ces droits constitue non seulement une obligation constitutionnelle, mais également un engagement juridiquement contraignant au regard du droit international des droits humains et du droit international du travail. Le non-respect de ces obligations est inacceptable dans une société démocratique.

En toute solidarité,


Mme Jannatul Ferdous
Secrétaire générale adjointe
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises
180 Boulevard Haussmann
75008 Paris, France
Courriel : info@jmbf.org
Site web : www.jmbf.org

*************************************************** 
JMBF is an independent, non-profit, and nonpartisan human rights organization registered in France under the Association Law of 1901 (Registration No. W931027714), dedicated to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.

No comments:

Post a Comment