Paris, France | 14 June 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its deep concern and strongly condemns the alleged physical torture, degrading treatment, unlawful detention, and subsequent harassment of Bangladesh national cricket team player Nayeem Hasan by police officers in Chattogram on the night of 12 June 2026.
According to media reports and JMBF's own reliable sources, at around 10:00 p.m. on 12 June, while returning home from Shah Amanat International Airport in Chattogram, Nayeem Hasan was forcibly removed from an auto-rickshaw in the Lalkhan Bazar area and physically assaulted. Despite identifying himself as a member of the Bangladesh national cricket team and presenting his official identification, the police allegedly continued to use force against him. He was subsequently taken to Khulshi Police Station, where he was reportedly subjected to humiliating and degrading treatment.
JMBF firmly believes that this incident is not merely an injustice against an internationally recognized athlete; rather, it constitutes a grave assault on the constitutional rights, personal security, and human dignity of every citizen of Bangladesh.
JMBF notes that three police officers allegedly involved in the incident have been temporarily withdrawn from duty and that a departmental inquiry has been announced. However, JMBF firmly believes that an administrative withdrawal or an internal departmental inquiry alone cannot provide an effective remedy for allegations of such gravity.
Under international human rights standards, allegations of torture, unlawful use of force, or abuse of power by law enforcement officials must be investigated through an independent, impartial, transparent, prompt, and effectiveprocess. Furthermore, those found responsible must be prosecuted under criminal law to prevent the continued culture of impunity.
JMBF believes that the alleged incident, if established, constitutes a clear violation of the Constitution of Bangladesh, particularly Article 31, which guarantees every person's right to the protection of the law; Article 32, which guarantees that no person shall be deprived of life or personal liberty except in accordance with law; and Article 35(5), which unequivocally prohibits torture and cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment.
Similarly, the Torture and Custodial Death (Prevention) Act, 2013 criminalizes torture committed by members of law enforcement agencies and prescribes penalties for such offences. Furthermore, the Police Act, the Police Regulations Bengal (PRB), and the applicable codes of professional conduct require that any use of force by police officers must be lawful, necessary, reasonable, and proportionate. The allegations in this case indicate a serious departure from these legal and professional standards.
Bangladesh is also bound by its obligations under international human rights law. As a State committed to the principles of the Universal Declaration of Human Rights (UDHR), Bangladesh is obligated to protect the rights to life, liberty, personal security, and freedom from torture. Bangladesh is also a State Party to the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR).
Article 7 of the ICCPR absolutely prohibits torture and cruel, inhuman, or degrading treatment or punishment. Article 9 guarantees the right to liberty and security of the person, while Article 10 requires that all persons deprived of their liberty be treated with humanity and with respect for their inherent dignity.
In addition, the United Nations Code of Conduct for Law Enforcement Officials and the Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials require that force be used only when strictly necessary and only to the extent required for the performance of duty. The use of force as punishment or intimidation is fundamentally incompatible with international human rights standards.
Moreover, Bangladesh is a State Party to the United Nations Convention against Torture and Other Cruel, Inhuman or Degrading Treatment or Punishment (UNCAT). Article 2 of the Convention obliges States to adopt effective legislative, administrative, judicial, and other measures to prevent torture and makes it clear that no exceptional circumstances whatsoever may be invoked to justify torture. Article 16 further obliges States to prevent acts of cruel, inhuman, or degrading treatment or punishment. If the allegations surrounding this incident are substantiated, they would amount to a clear violation of Bangladesh's obligations under Articles 2 and 16 of the Convention.
JMBF calls for the establishment of an independent and impartial commission of inquiry, or, alternatively, an investigation conducted under judicial supervision to ensure the credibility and integrity of the investigative process.
Pending the outcome of the investigation, the accused police officers should be suspended from active duty. Should the allegations be proven, they must face not only departmental sanctions but also criminal prosecution in accordance with the law.
JMBF further calls upon the Government of Bangladesh to ensure that the victim receives effective remedies, including adequate compensation and appropriate rehabilitation, as required under domestic and international law.
Advocate Shahanur Islam, Founder and President of JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), stated:
"This incident cannot be dismissed as an isolated occurrence. Rather, it reflects broader concerns regarding accountability within law enforcement agencies, abuse of power, and the protection of citizens' fundamental rights. Meaningful institutional reforms—including greater transparency in police operations, comprehensive human rights training, the introduction of body-worn cameras, independent police complaints mechanisms, and effective oversight—are urgently needed."
He further added:
"The rule of law demands that every individual and every State institution remain accountable under the law. If such serious allegations can arise in the case of an internationally recognized national cricketer, the situation faced by ordinary citizens becomes an even greater cause for concern. Ensuring an independent investigation, holding perpetrators accountable, and implementing effective institutional reforms are essential to preventing the recurrence of such abuses."
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) calls upon the Government of Bangladesh and the relevant authorities to uphold the Constitution, comply fully with domestic law and international human rights obligations, take prompt, impartial, and effective action, and restore public confidence in the administration of justice.
In Solidarity,
Mosa. Jannatul Ferdous
Assistant Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org
বাংলাদেশ অ্যালার্টঃ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ওপর পুলিশের নির্যাতনের ঘটনায় জেএমবিএফ-এর তীব্র নিন্দা, স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান
প্যারিস, ফ্রান্স | ১৪ জুন ২০২৬: জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) গত ১২ জুন শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য নাঈম হাসানের ওপর পুলিশের শারীরিক নির্যাতন, অপমানজনক আচরণ, বেআইনি আটক এবং পরবর্তীতে থানায় হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং জেএমবিএফ-এর নিজস্ব নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ১২ জুন শুক্রবার রাত ১০টার পর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় তাঁকে অটোরিকশা থেকে জোরপূর্বক নামিয়ে মারধর করা হয়। তিনি নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দেওয়া এবং পরিচয়পত্র প্রদর্শন করার পরও তাঁর প্রতি বলপ্রয়োগ অব্যাহত থাকে। পরে তাঁকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর সঙ্গে অবমাননাকর আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, এই ঘটনা কেবল একজন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদের প্রতি অবিচার নয়; বরং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং মানবিক মর্যাদার ওপর গুরুতর আঘাত।
জেএমবিএফ লক্ষ্য করেছে যে ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট তিনজন পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে জেএমবিএফ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, কেবল প্রশাসনিক প্রত্যাহার বা বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে এমন গুরুতর অভিযোগের কার্যকর প্রতিকার সম্ভব নয়।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্যাতন, বেআইনি বলপ্রয়োগ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত অবশ্যই স্বাধীন, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কার্যকর হতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী না হয়।
জেএমবিএফ মনে করে, এই ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত প্রত্যেক ব্যক্তির আইনানুগ আচরণ লাভের অধিকার, ৩২ অনুচ্ছেদে আইনানুগ প্রক্রিয়া ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন বা ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত না করার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা এবং বিশেষভাবে সংবিধানের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা দণ্ড সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
একইভাবে বাংলাদেশে প্রচলিত নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নির্যাতনকে একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রেখেছে। সেই সঙ্গে পুলিশ আইন, Police Regulations Bengal (PRB) এবং পেশাগত আচরণবিধি অনুসারেও পুলিশের যেকোনো বলপ্রয়োগ অবশ্যই বৈধ, প্রয়োজনীয়, যুক্তিসঙ্গত এবং সমানুপাতিক হতে হবে। কিন্তু এই ঘটনায় এসব আইন ও নীতিমালার গুরুতর ব্যত্যয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তাছাড়া, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনেও সুস্পষ্ট বাধ্যবাধকতার মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights)-এ ঘোষিত জীবন, স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং নির্যাতনমুক্ত থাকার মৌলিক নীতিগুলোর প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি (ICCPR)-এর রাষ্ট্রপক্ষ।
এই চুক্তির ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ নির্যাতন এবং নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে; ৯ নম্বর অনুচ্ছেদ ব্যক্তি স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে; এবং ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে আটক ব্যক্তিদের প্রতি মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া জাতিসংঘের Code of Conduct for Law Enforcement Officials এবং Basic Principles on the Use of Force and Firearms by Law Enforcement Officials অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বলপ্রয়োগ কেবলমাত্র একান্ত প্রয়োজনীয়, বৈধ এবং সমানুপাতিক পরিস্থিতিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বা ভীতি প্রদর্শনের জন্য বলপ্রয়োগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সর্বোপরি, বাংলাদেশ জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশন (United Nations Convention against Torture – UNCAT)-এর রাষ্ট্রপক্ষ। এই কনভেনশনের ২ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর আইনগত, প্রশাসনিক ও বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে এবং কোনো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই নির্যাতনকে বৈধতা দেওয়া যায় না। এছাড়া ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা দণ্ড প্রতিরোধের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। অভিযোগে বর্ণিত ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত হলে তা উক্ত কনভেনশনের এসব বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে প্রতীয়মান হবে।
জেএমবিএফ মনে করে, এই ঘটনায় একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন অথবা বিচার বিভাগীয় তত্ত্বাবধানে তদন্ত পরিচালনা করা উচিত, যাতে তদন্তের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।
পাশাপাশি, তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা প্রয়োজন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি বিচারের আওতায় আনতে হবে।
একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে ভুক্তভোগীর জন্য কার্যকর প্রতিকার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে জেএমবিএফ।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন,
"এই ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার বৃহত্তর প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত। সে কারণে পুলিশি অভিযানে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, মানবাধিকারভিত্তিক প্রশিক্ষণ, বডি-ক্যামেরা ব্যবহার, স্বাধীন অভিযোগ তদন্ত ব্যবস্থা এবং কার্যকর নজরদারি প্রতিষ্ঠাসহ দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার জরুরি।"
তিনি আরও বলেন,
"আইনের শাসনের মূলনীতি হলো—রাষ্ট্রের প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান আইনের অধীন এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেও যদি এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তবে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়টি আরও গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এখন সময়ের দাবি।"
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায় যে, তারা যেন সংবিধান, জাতীয় আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতার প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং জনগণের ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।
শুভেচ্ছাসহ—
মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
সহকারী মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড হাউসমান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org | ওয়েবসাইট: www.jmbf.org
ALERTE BANGLADESH : JMBF condamne fermement les actes présumés de torture policière contre le joueur de cricket Nayeem Hasan et appelle à une enquête indépendante ainsi qu'à l'établissement des responsabilités
Paris (France) | 14 juin 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation et condamne avec la plus grande fermeté les actes présumés de torture physique, les traitements humiliants et dégradants, la détention illégale ainsi que le harcèlement subi au poste de police par Nayeem Hasan, joueur de l'équipe nationale de cricket du Bangladesh, de la part de membres des forces de police à Chattogram dans la nuit du 12 juin 2026.
Selon les informations publiées par les médias ainsi que les sources fiables de JMBF, vers 22 heures le 12 juin, alors qu'il rentrait à son domicile depuis l'aéroport international Shah Amanat de Chattogram, Nayeem Hasan a été contraint de descendre d'un auto-rickshaw dans le quartier de Lalkhan Bazar avant d'être violemment agressé. Bien qu'il se soit identifié comme joueur de l'équipe nationale de cricket du Bangladesh et qu'il ait présenté sa carte d'identité officielle, les policiers auraient poursuivi l'usage de la force à son encontre. Il a ensuite été conduit au commissariat de Khulshi, où il aurait été victime de traitements humiliants et dégradants.
JMBF estime fermement que cet incident ne constitue pas seulement une injustice commise à l'encontre d'un sportif de renommée internationale, mais représente également une grave atteinte aux droits constitutionnels, à la sécurité personnelle et à la dignité humaine de tous les citoyens du Bangladesh.
JMBF prend acte du fait que trois policiers présumés impliqués dans cette affaire ont été provisoirement relevés de leurs fonctions et qu'une enquête administrative a été annoncée. Toutefois, JMBF considère qu'une simple mesure administrative ou une enquête interne ne saurait constituer une réponse suffisante face à des allégations d'une telle gravité.
Conformément aux normes internationales relatives aux droits humains, toute allégation de torture, d'usage illégal de la force ou d'abus de pouvoir commis par des agents des forces de l'ordre doit faire l'objet d'une enquête indépendante, impartiale, transparente, rapide et efficace. En outre, les personnes reconnues responsables doivent être poursuivies conformément au droit pénal afin de mettre un terme à la culture persistante de l'impunité.
JMBF considère que, si les faits allégués sont établis, ils constituent une violation manifeste de la Constitution de la République populaire du Bangladesh, notamment de l'article 31, qui garantit à toute personne le droit à la protection de la loi ; de l'article 32, qui protège le droit à la vie et à la liberté individuelle conformément à la loi ; ainsi que de l'article 35(5), qui interdit expressément la torture ainsi que les peines ou traitements cruels, inhumains ou dégradants.
De même, la Loi de 2013 sur la prévention de la torture et des décès en détention (Torture and Custodial Death (Prevention) Act, 2013) érige en infraction pénale les actes de torture commis par les membres des forces de l'ordre et prévoit des sanctions à leur encontre. Par ailleurs, la Police Act, les Police Regulations Bengal (PRB) ainsi que les règles déontologiques applicables imposent que tout recours à la force par les policiers soit légal, nécessaire, raisonnable et proportionné. Les faits allégués révèlent une violation grave de ces normes juridiques et professionnelles.
Le Bangladesh est également tenu de respecter ses obligations en vertu du droit international des droits de l'homme. En tant qu'État engagé à respecter les principes énoncés dans la Déclaration universelle des droits de l'homme (DUDH), il est tenu de garantir le droit à la vie, à la liberté, à la sécurité de la personne ainsi que le droit de ne pas être soumis à la torture. Le Bangladesh est également État partie au Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP).
L'article 7 du PIDCP interdit de manière absolue la torture ainsi que les traitements ou peines cruels, inhumains ou dégradants. L'article 9 garantit le droit à la liberté et à la sécurité de la personne, tandis que l'article 10 exige que toute personne privée de liberté soit traitée avec humanité et dans le respect de sa dignité inhérente.
En outre, le Code de conduite des Nations Unies pour les responsables de l'application des lois ainsi que les Principes de base des Nations Unies sur le recours à la force et l'utilisation des armes à feu par les responsables de l'application des lois disposent que la force ne peut être utilisée que lorsqu'elle est strictement nécessaire et uniquement dans la mesure requise pour l'accomplissement des fonctions officielles. L'usage de la force à des fins de punition ou d'intimidation est fondamentalement incompatible avec les normes internationales relatives aux droits humains.
Par ailleurs, le Bangladesh est État partie à la Convention des Nations Unies contre la torture et autres peines ou traitements cruels, inhumains ou dégradants (CAT). L'article 2 de cette Convention oblige les États à adopter des mesures législatives, administratives, judiciaires et autres afin de prévenir la torture et précise qu'aucune circonstance exceptionnelle ne peut être invoquée pour la justifier. L'article 16 impose en outre aux États de prévenir tout acte constituant un traitement ou une peine cruel, inhumain ou dégradant. Si les faits rapportés sont confirmés, ils constitueraient une violation manifeste des obligations internationales du Bangladesh au titre des articles 2 et 16 de la Convention.
JMBF demande la création d'une commission d'enquête indépendante et impartiale ou, à défaut, la conduite d'une enquête placée sous le contrôle de l'autorité judiciaire afin de garantir la crédibilité et l'intégrité du processus d'enquête.
Dans l'attente des conclusions de cette enquête, les policiers mis en cause devraient être suspendus de leurs fonctions. Si les accusations sont confirmées, ils devront faire l'objet non seulement de sanctions disciplinaires, mais également de poursuites pénales conformément à la loi.
JMBF appelle également le Gouvernement du Bangladesh à garantir à la victime un recours effectif, comprenant notamment une indemnisation adéquate et des mesures de réadaptation, conformément au droit national et au droit international.
Me Shahanur Islam, avocat spécialisé en droits humains et Président fondateur de JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), a déclaré :
« Cet incident ne peut être considéré comme un cas isolé. Il met en lumière des problèmes plus profonds liés au manque de responsabilité des forces de l'ordre, aux abus de pouvoir et à la protection insuffisante des droits fondamentaux des citoyens. Des réformes institutionnelles significatives sont indispensables, notamment une plus grande transparence des opérations policières, une formation approfondie aux droits humains, l'introduction de caméras-piétons, la mise en place d'un mécanisme indépendant de traitement des plaintes contre la police et un contrôle effectif des forces de l'ordre. »
Il a ajouté :
« L'État de droit exige que chaque individu et chaque institution publique soient responsables devant la loi. Si de telles allégations peuvent être formulées dans le cas d'un joueur de cricket de renommée internationale, la situation des citoyens ordinaires est d'autant plus préoccupante. Une enquête indépendante, la poursuite des auteurs et la mise en œuvre de réformes institutionnelles efficaces sont essentielles pour prévenir la répétition de tels abus. »
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) appelle le Gouvernement du Bangladesh et les autorités compétentes à respecter pleinement la Constitution, à se conformer au droit national ainsi qu'à leurs obligations internationales en matière de droits humains, à prendre des mesures rapides, impartiales et efficaces, et à rétablir la confiance du public dans l'administration de la justice.
En toute solidarité,
Mosa. Jannatul Ferdous
Secrétaire générale adjointe
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Courriel : info@jmbf.org, Site Internet : www.jmbf.org
***************************************************
Copyright©JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2026. All rights reserved. JMBF is an independent, non-profit, and nonpartisan human rights organization registered in France under the Association Law of 1901 (Registration No. W931027714), dedicated to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.



No comments:
Post a Comment