Paris, France | 11 June 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) expresses its deep concern, strong condemnation, and firm protest over the recent significant increase in alleged "push-ins" and attempted push-ins into Bangladesh by India's Border Security Force (BSF) across various sectors of the India–Bangladesh border following the formation of the new BJP-led government in West Bengal.
Based on JMBF's independent inquiry, reliable sources, testimonies from victims and eyewitnesses, documentary evidence, and a comprehensive analysis of reports published by national and international media, JMBF's preliminary findings indicate credible grounds to believe that members of the BSF have been involved in forcibly pushing people into Bangladesh and attempting to do so at multiple points along the border. In JMBF's assessment, these incidents are not isolated occurrences but rather reflect a systematic and deeply concerning pattern of border practices that raises serious concerns under international human rights law, customary international law, and the fundamental principles of the rule of law.
According to information made public by the Border Guard Bangladesh (BGB), repeated attempts to push people into Bangladesh have been prevented in border areas including Jashore, Satkhira, Chuadanga, Meherpur, Jhenaidah, Kushtia, Thakurgaon, Dinajpur, Panchagarh, Lalmonirhat, Kurigram, Sylhet, Moulvibazar, Sunamganj, Habiganj, Brahmanbaria, Cumilla, Feni, Khagrachhari, and several other border sectors. JMBF notes that although similar allegations had surfaced previously, the frequency and geographical spread of such incidents have increased significantly since May 2026. The Government of Bangladesh has made it clear that no individual will be accepted into Bangladesh without proper verification of nationality. Meanwhile, the Indian authorities maintain that they are returning only verified irregular migrants in accordance with domestic law.
JMBF believes that attempting to force detained individuals across the border without proper nationality verification, the opportunity to defend themselves, a fair hearing, judicial review, and established repatriation procedures is contrary to the fundamental principles of international law. Reports have also alleged that individuals have been targeted based on language, ethnicity, or religion and that women, children, and vulnerable families have been among those affected. Language, religion, ethnicity, or mother tongue can never constitute a lawful basis for determining nationality. Such practices are incompatible with the international principle of non-discrimination, as well as the constitutional values of a democratic state.
JMBF considers that the alleged conduct raises serious concerns regarding violations of international human rights law, customary international law, and the obligations of states under international law. Articles 1, 2, 3, 5, 9, and 10 of the Universal Declaration of Human Rights (UDHR) guarantee human dignity, equality, liberty, protection against arbitrary detention or exile, and the right to a fair hearing. Likewise, the International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR) guarantees personal liberty, due process, equal protection before the law, and the right to an effective remedy. Under these international standards, compelling individuals to cross an international border without following lawful procedures gives rise to serious human rights concerns.
The Constitution of India reflects the same fundamental principles. Article 14 guarantees equality before the law to all persons, while Article 21 guarantees that no person shall be deprived of life or personal liberty except according to theprocedure established by law. The Supreme Court of India has repeatedly affirmed that the protections under Article 21 apply not only to citizens but also to non-citizens. Consequently, allegations that individuals have been removed to the border or forced into another country without due administrative and judicial process raise serious constitutional concerns under Indian law.
JMBF further recalls that India and Bangladesh have long-established bilateral mechanisms governing border management, repatriation, regular flag meetings between border forces, and diplomatic communication. Any unilateral action that disregards these established mechanisms risks undermining mutual trust, bilateral cooperation, and regional stability.
Advocate Shahanur Islam, Founder and President of JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), stated, "Ensuring border security is undoubtedly a sovereign right of every state. However, that sovereign authority can never justify disregarding international law, human rights, the principle of non-discrimination, due process, fair trial guarantees, and the rule of law. Border security and the protection of human rights are not mutually exclusive. A democratic state can and must secure its borders while fully respecting human dignity, the rule of law, and the principles of justice."
JMBF's Urgent Calls:
- The Government of India should immediately cease all informal "push-in" operations along the India–Bangladesh border.
- India and Bangladesh should strictly adhere to international law, international human rights standards, and existing bilateral repatriation mechanisms.
- The Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights (OHCHR), relevant UN Special Rapporteurs, and other international human rights mechanisms should initiate an independent, impartial, and internationally credible investigation into these allegations.
- Independent investigations should be conducted into every alleged incident of push-ins and attempted push-ins, and all individuals and authorities found responsible should be held accountable.
JMBF calls upon the international community, the United Nations, the European Union, and all relevant international and regional human rights institutions to give urgent attention to this situation, support independent investigations, and take appropriate measures to ensure full respect for international law, human rights, and the rule of law.
In solidarity,
Ms. Jannatul Ferdous
Assistant Secretary General
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises, 180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
Email: info@jmbf.org | Website: www.jmbf.org
বিবৃতি: বিএসএফ কর্তৃক ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ ও ‘পুশ-ইনের চেষ্টা’: আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের গুরুত্বর লঙ্ঘন
প্যারিস, ফ্রান্স | ১১ জুন ২০২৬: জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ) পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের পর সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশমুখী ‘পুশ-ইন’ এবং ‘পুশ-ইনের চেষ্টা’ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা এবং কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
জেএমবিএফ-এর নিজস্ব অনুসন্ধান, নির্ভরযোগ্য সূত্র, ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, প্রাপ্ত নথিপত্র এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের সমন্বিত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সংস্থার প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে যে, বিএসএফের সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সম্পৃক্ততায় সীমান্তের বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশে মানুষকে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া এবং এ ধরনের চেষ্টা চালানোর অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য ভিত্তি রয়েছে। জেএমবিএফ-এর মূল্যায়নে, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং একটি ধারাবাহিক ও উদ্বেগজনক সীমান্ত-চর্চার প্রতিফলন, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইন এবং আইনের শাসনের মৌলিক নীতির সঙ্গে গুরুতর অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যশোর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি এবং অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় একাধিকবার বাংলাদেশে মানুষকে প্রবেশ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। জেএমবিএফ লক্ষ্য করেছে যে, পূর্ববর্তী সময়েও এ ধরনের অভিযোগ থাকলেও ২০২৬ সালের মে মাস থেকে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, যথাযথ নাগরিকত্ব যাচাই ছাড়া কাউকে বাংলাদেশ গ্রহণ করা হবে না। অন্যদিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, তারা কেবল যাচাইকৃত অবৈধ অভিবাসীদের আইন অনুযায়ী নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে।
জেএমবিএফ-এর মূল্যায়নে, সীমান্তবর্তী এলাকায় আটক ব্যক্তিদের যথাযথ নাগরিকত্ব যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, ন্যায্য শুনানি, বিচারিক পর্যালোচনা এবং আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বাংলাদেশে প্রবেশে বাধ্য করার চেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভাষা, জাতিগত পরিচয় বা ধর্মের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা এবং নারী, শিশু ও অসহায় পরিবারের সদস্যদেরও এসব ঘটনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে। ভাষা, ধর্ম, জাতিগত পরিচয় কিংবা মাতৃভাষা কখনোই নাগরিকত্ব নির্ধারণের আইনগত মানদণ্ড হতে পারে না। এ ধরনের চর্চা আন্তর্জাতিক বৈষম্যবিরোধী নীতি এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাংবিধানিক মূল্যবোধের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
জেএমবিএফ মনে করে, অভিযোগে বর্ণিত কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, আন্তর্জাতিক প্রথাগত আইন এবং রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক দায়বদ্ধতার গুরুতর লঙ্ঘনের প্রশ্ন উত্থাপন করে। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র (UDHR)-এর ১, ২, ৩, ৫, ৯ ও ১০ নম্বর অনুচ্ছেদ মানবমর্যাদা, বৈষম্যহীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, নির্বিচার আটক বা নির্বাসনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা এবং ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিত করে। একইভাবে আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি (ICCPR) ব্যক্তির স্বাধীনতা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, আইনের সমান সুরক্ষা এবং কার্যকর প্রতিকারের অধিকার নিশ্চিত করে। এসব আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সীমান্ত অতিক্রমে বাধ্য করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে গুরুতর অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভারতের সংবিধানও একই নীতির প্রতিফলন ঘটায়। অনুচ্ছেদ ১৪-এ সকল ব্যক্তির আইনের দৃষ্টিতে সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অনুচ্ছেদ ২১-এ আইনসম্মত প্রক্রিয়া ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত না করার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একাধিক রায়ে স্পষ্ট করেছে যে, অনুচ্ছেদ ২১-এর সুরক্ষা নাগরিক ও অ-নাগরিক উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ফলে যথাযথ প্রশাসনিক ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ ব্যতিরেকে কাউকে সীমান্তে নিয়ে যাওয়া বা অন্য রাষ্ট্রে পাঠানোর অভিযোগ ভারতের নিজস্ব সাংবিধানিক নীতির সঙ্গেও গুরুতর অসামঞ্জস্যের প্রশ্ন উত্থাপন করে।
জেএমবিএফ আরও স্মরণ করিয়ে দিতে চায় যে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, প্রত্যাবাসন, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নিয়মিত ফ্ল্যাগ মিটিং এবং কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থা বিদ্যমান। এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উপেক্ষা করে কোনো একতরফা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে তা দ্বিপাক্ষিক আস্থা, সীমান্ত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
জেএমবিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম বলেন: "সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌম অধিকার। তবে সেই অধিকার কখনোই আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার, বৈষম্যহীনতা, ন্যায্য বিচার, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া (Due Process) এবং আইনের শাসনের মৌলিক নীতিকে উপেক্ষা করার বৈধতা দেয় না। সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সুরক্ষা পরস্পরবিরোধী নয়; বরং আইনের শাসন, মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তার সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।"
জেএমবিএফ-এর জরুরি আহ্বান:
১. ভারত সরকার অবিলম্বে সব ধরনের অনানুষ্ঠানিক ‘পুশ-ইন’ কার্যক্রম বন্ধ করবে।
২. ভারত ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার মানদণ্ড এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করবে।
৩. জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR), সংশ্লিষ্ট বিশেষ প্রতিবেদক এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ব্যবস্থা এসব অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন তদন্ত শুরু করবে।
৪. সীমান্তে সংঘটিত ‘পুশ-ইন’ এবং ‘পুশ-ইনের চেষ্টা’-সংক্রান্ত প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দায়ী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
জেএমবিএফ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সকল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের প্রতি জরুরি আহ্বান জানাচ্ছে, যেন তারা এই পরিস্থিতির প্রতি অবিলম্বে মনোযোগ প্রদান করে, স্বাধীন তদন্তে সহায়তা করে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সকল পক্ষের পূর্ণ শ্রদ্ধা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
শুভেচ্ছান্তে,
মোসাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস
সহকারী মহাসচিব
জাস্টিসমেকার্স বাংলাদেশ ইন ফ্রান্স (জেএমবিএফ)
সিএনবি প্রাঙ্গণ, ১৮০ বুলভার্ড ঊসমান, ৭৫০০৮ প্যারিস, ফ্রান্স
ইমেইল: info@jmbf.org | ওয়েবসাইট: www.jmbf.org
DÉCLARATION : Les « push-ins » menés par la BSF et les tentatives de push-in le long de la frontière indo-bangladaise : une grave violation du droit international, des droits humains et de l'État de droit
Paris, France | 11 juin 2026: JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF) exprime sa profonde préoccupation, sa ferme condamnation et sa vive protestation face à la récente augmentation significative des allégations de « push-ins » (refoulements forcés) et de tentatives de push-in vers le Bangladesh par la Border Security Force (BSF) de l'Inde dans plusieurs secteurs de la frontière indo-bangladaise, depuis la formation du nouveau gouvernement dirigé par le BJP au Bengale-Occidental.
Sur la base de son enquête indépendante, de sources fiables, de témoignages de victimes et de témoins oculaires, de preuves documentaires ainsi que d'une analyse approfondie des rapports publiés par les médias nationaux et internationaux, JMBF estime qu'il existe des motifs crédibles de croire que des membres de la BSF ont participé à des opérations consistant à pousser de force des personnes vers le Bangladesh ou à tenter de le faire en plusieurs points de la frontière. Selon JMBF, ces incidents ne constituent pas des événements isolés mais semblent révéler une pratique systématique et profondément préoccupante qui soulève de graves inquiétudes au regard du droit international des droits de l'homme, du droit international coutumier et des principes fondamentaux de l'État de droit.
Selon les informations rendues publiques par le Border Guard Bangladesh (BGB), plusieurs tentatives de push-in vers le Bangladesh ont été empêchées dans les zones frontalières de Jashore, Satkhira, Chuadanga, Meherpur, Jhenaidah, Kushtia, Thakurgaon, Dinajpur, Panchagarh, Lalmonirhat, Kurigram, Sylhet, Moulvibazar, Sunamganj, Habiganj, Brahmanbaria, Cumilla, Feni, Khagrachhari ainsi que dans plusieurs autres secteurs frontaliers. JMBF note que, bien que des allégations similaires aient déjà été formulées auparavant, la fréquence et l'étendue géographique de ces incidents ont considérablement augmenté depuis le mois de mai 2026. Le Gouvernement du Bangladesh a clairement indiqué qu'aucune personne ne sera admise sur son territoire sans une vérification préalable de sa nationalité. De leur côté, les autorités indiennes soutiennent qu'elles ne renvoient que des migrants en situation irrégulière dont la nationalité a été vérifiée, conformément au droit interne.
JMBF considère que toute tentative de contraindre des personnes détenues à franchir une frontière internationale sans vérification appropriée de leur nationalité, sans leur offrir la possibilité de se défendre, sans audience équitable, sans contrôle juridictionnel et sans respecter les procédures de rapatriement établies est contraire aux principes fondamentaux du droit international. Des informations font également état d'allégations selon lesquelles certaines personnes auraient été ciblées en raison de leur langue, de leur origine ethnique ou de leur religion, et que des femmes, des enfants ainsi que des familles particulièrement vulnérables figureraient parmi les personnes concernées. La langue, la religion, l'origine ethnique ou la langue maternelle ne peuvent en aucun cas constituer un fondement juridique permettant de déterminer la nationalité d'une personne. De telles pratiques seraient incompatibles avec le principe international de non-discrimination ainsi qu'avec les valeurs constitutionnelles d'un État démocratique.
JMBF estime que les faits allégués soulèvent de sérieuses préoccupations quant au respect du droit international des droits de l'homme, du droit international coutumier et des obligations des États en vertu du droit international. Les articles 1, 2, 3, 5, 9 et 10 de la Déclaration universelle des droits de l'homme (DUDH) garantissent la dignité humaine, l'égalité, la liberté, la protection contre la détention ou l'exil arbitraires ainsi que le droit à un procès équitable. De même, le Pacte international relatif aux droits civils et politiques (PIDCP) garantit la liberté individuelle, les garanties d'une procédure régulière, l'égalité devant la loi et le droit à un recours effectif. Au regard de ces normes internationales, contraindre des individus à franchir une frontière internationale sans respecter les procédures légales soulève de graves préoccupations en matière de droits humains.
La Constitution de l'Inde consacre les mêmes principes fondamentaux. Son article 14 garantit l'égalité devant la loi à toute personne, tandis que son article 21 dispose que nul ne peut être privé de sa vie ou de sa liberté personnelle si ce n'est conformément à la procédure établie par la loi. La Cour suprême de l'Inde a affirmé à plusieurs reprises que les garanties prévues à l'article 21 s'appliquent non seulement aux citoyens indiens mais également aux ressortissants étrangers. Dès lors, les allégations selon lesquelles des personnes auraient été conduites jusqu'à la frontière ou contraintes d'entrer dans un autre pays sans procédure administrative ou judiciaire régulière soulèvent de sérieuses préoccupations constitutionnelles au regard du droit indien.
JMBF rappelle en outre que l'Inde et le Bangladesh disposent depuis longtemps de mécanismes bilatéraux régissant la gestion des frontières, le rapatriement, les réunions régulières entre les forces frontalières ainsi que les communications diplomatiques. Toute action unilatérale contournant ces mécanismes établis risque de compromettre la confiance mutuelle, la coopération bilatérale et la stabilité régionale.
Maître Shahanur Islam, fondateur et président de JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), a déclaré :
« Assurer la sécurité des frontières est incontestablement un droit souverain de chaque État. Toutefois, cette souveraineté ne saurait en aucun cas justifier le non-respect du droit international, des droits humains, du principe de non-discrimination, des garanties d'une procédure régulière, du droit à un procès équitable et de l'État de droit. La sécurité des frontières et le respect des droits humains ne sont pas incompatibles. Un État démocratique peut et doit protéger ses frontières tout en respectant pleinement la dignité humaine, l'État de droit et les principes de justice. »
Les appels urgents de JMBF:
- Le Gouvernement de l'Inde doit mettre immédiatement fin à toutes les opérations informelles de « push-in » le long de la frontière indo-bangladaise.
- L'Inde et le Bangladesh doivent respecter strictement le droit international, les normes internationales relatives aux droits humains ainsi que les mécanismes bilatéraux existants en matière de rapatriement.
- Le Haut-Commissariat des Nations Unies aux droits de l'homme (HCDH), les Rapporteurs spéciaux compétents des Nations Unies ainsi que les autres mécanismes internationaux de protection des droits humains doivent engager une enquête indépendante, impartiale et crédible au niveau international sur ces allégations.
- Des enquêtes indépendantes doivent être menées sur chaque allégation de push-in ou de tentative de push-in, et toutes les personnes ainsi que toutes les autorités reconnues responsables doivent répondre de leurs actes.
JMBF appelle la communauté internationale, les Nations Unies, l'Union européenne ainsi que toutes les institutions internationales et régionales compétentes en matière de droits humains à accorder une attention urgente à cette situation, à soutenir des enquêtes indépendantes et à prendre les mesures appropriées afin de garantir le plein respect du droit international, des droits humains et de l'État de droit.
En solidarité,
Mme Jannatul Ferdous
Secrétaire générale adjointe
JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF)
CNB Premises,180 Boulevard Haussmann, 75008 Paris, France
***************************************************
Copyright©JusticeMakers Bangladesh in France (JMBF), 2026. All rights reserved. JMBF is an independent, non-profit, and nonpartisan human rights organization registered in France under the Association Law of 1901 (Registration No. W931027714), dedicated to defending human rights, promoting social justice, and empowering communities in Bangladesh and beyond.

No comments:
Post a Comment